বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৩

স্বপ্নেদোষের অজানা তথ্য!

স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।

স্বপ্নদোষের মাত্রা

স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।

কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’

একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।

বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।

স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।

যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।

মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৩

গ্রিসের উলঙ্গ ভাস্বরয বা বাথরুমের সেটে থাকা পোস্টার আমাদের সবারই নজর কারে।এই গ্রহের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে যেই অঙ্গটি নিয়ে তা হলো যৌনাঙ্গ।এই অঙ্গটির আকার আকৃতি নিয়ে যত জল্পনা-কল্পনা করিনা কেন। এই অঙ্গটি সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীদের এখনও অনেক গোপন রহস্য প্রকাশ করার আছে যা আমরা জানিনা। যেমন এর ভেতর থাকা হাড় বা এর আদর্শ আকার। পুরুষের যৌনাঙ্গের এই রকম আদিম সাতটি রহস্য নিয়ে আজকের লেখা।


রহস্য সত্য-৭: লিঙ্গের গড় আকার: ২০১৩ সালের সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের ১৬৬১জনের উপর করা এক জরিপে দেখা গেছে উত্থিত যৌনাঙ্গ গড়ে ৫.৫৬ইঞ্চি(১৪ সেমি) পরযন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো কারো করো ১.৬ ইঞ্চি(৪সেমি) থেকে ১০.২ ইঞ্চি (২৬সেমি) পর‌যন্ত লম্বা হতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে যৌনাঙ্গের ঋজুতাও সবার সমান নয়। ওরাল সেক্সের পর বা সঙ্গমের পর যারা মেপে দেখেছে যে তাদের ঋজুতা যারা একা যৌন আনন্দ উপভোগ করে তাদের চেয়ে বেশি ঋজু। কারণ লিঙ্গের ঋজুতা নির্ভর করে রক্তচাপের উপর। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান লিঙ্গকে গড়ে ০.৪ইঞ্চি (১সেমি) পর‌যন্ত ছোট করে দিতে পারে।


রহস্য সত্য-৬ : যৌনাঙ্গের আকার: যৌন সঙ্গমে কোন কোন নারীর জন্য লিঙ্গের আকৃতি বিশেষ ভূমিকা রাখে।২০১২সালে সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী যৌন সঙ্গমে অধিক উত্তেজনা অনুভব করে তাদের জন্য বড় পুরুষাঙ্গ যোনির উত্তেজনায় অধিক আনন্দ দিতে করিৎকর্মা। যদিও এটা পরিস্কার নয় যে, প্রকৃতপক্ষে কেন দীর্ঘ লিঙ্গ নারীদের আনন্দ দেয়-ইউনি্র্ভাসিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ডের মনোবিঞ্জানী ও এই গবেষণাপত্রের সহকারী স্টুয়ার্ট ব্রোডি গবেষণার সময় তথ্য জানান। ২০১৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাকডেমী অব সায়েন্সের এক গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, নারীদের পছন্দের আদর্শ পুরুষাঙ্গ হচ্ছে তার দৈহিক উচ্চতা ও লম্বা পুরুষের জন্য দেহের সাথে সামঞ্জস্য দীর্ঘ লিঙ্গ আকর্ষনীয়।


রহস্য সত্য-৫: ব্যতিক্রম লিঙ্গ: কদাচিৎ কেউ দুইটা লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়। ৫লক্ষ বা ৬লক্ষে এমন এমন একটা হতে পারে। কিন্তু দূর্ভাগ্জনক হচ্ছে এর দ্বারা দ্বিগুণ যৌন আনন্দ লাভ সম্ভব নয়।দুইটি লিঙ্গ একই সাথে কর্মক্ষম থাকতে পারেনা বরং এর ফলে কিছু শারীরিক বৈসাদৃশ্য দেখা দেয় যা ঠিক করতে অস্ত্রপচারের প্রয়োজন হতে পারে। যে সব পুরুষ দুইটি লিঙ্গ নিয়ে জন্মায় তারা এক ধরনের বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হন। তা হলো তাদের কোন একটি লিঙ্গ উত্থিত হলে তা প্রশমিত হতে চার ঘন্টা পর‌যন্ত সময় নিতে পারে। এই অবস্থাকে প্রিয়াপ্রিজম (priapism) বলে।সাধারনত এটা ঘটে শরীরের রক্ত  লিঙ্গ থেকে আবার সারা শরীরে ফিরে যাওয়ার জন্য।যদিও এটা রক্তস্বল্পতায়  ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে বেশী পরিলক্ষিত হয়।এটা একটা জরুরী শারীরিক সমস্যা যা লিঙ্গে মাংসপেশীর চাপের কারণে হয়। এর জন্য  দ্রুত চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।


রহস্য সত্য-৪: লিঙ্গের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন: পুরুষাঙ্গের বিবর্তনের এক ভয়ঙ্কর অতীত আছে। একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল। কিন্তু মানুষ জাতীর পুর্বপুরুষেরা তাদের এই কন্টকাকীর্ন অঙ্গটি হারায়। ২০১০সালের নেচার জার্নালের এক গবেষণা মতে, প্রায় ৭০০হাজার বছর পূর্বে প্রস্তরযুগ ও আধুনিক মানুষের বিবর্তনের কোন এক সময় তারা এই হাড়যুক্ত লিঙ্গটি হারায়। বিঞ্জানীরা এখনও পরিস্কার নয় আসলে লিঙ্গের এই হাড়ের কাজটা কি ছিল। কেউ কেউ বলছেন তখন তারা যথেচ্ছা যৌনাচার করতো যেমনটা দেখা যায় ইতর প্রাণীদের মধ্যে। যেমন বিড়ালের হাড়ে লিঙ্গ আছে (টমক্যাটের লিঙ্গে ভয়ঙ্কর মেরুদন্ড বিদ্যমান)। বেশির ভাগ প্রাণীরই মেরুদন্ডের হাড়ের সাথে লিঙ্গের সংযোগ থাকে এটাকে হাড়লিঙ্গ বলে।এটা তাদের দৈহিক গঠনগত কারণে তার সঙ্গীর সাথে মিলনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষ তার অঙ্গটি হারায় এবং যৌন সঙ্গমে লিঙ্গদন্ড প্রস্তুত হওয়ার জন্য শরীরের রক্তচাপের উপর নির্ভর করতে হয়।কিন্তু অন্য প্রাণীদের জন্য এই হাড়টি শরীরের ভিতর থাকে ও এবং মিলনের সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে লিঙ্গকে শক্ত রাখে। এটা একটা রহস্য যে মানুষ কেন  তার সেই হাড়টি হারাল।কিন্তু জীববিঞ্জানী রিচার্ড ডাউকিনস বলেন, এটা মানুষ জাতির শারীরিক ও মানসিক গঠনগত কারনে হয়েছে।


রহস্য সত্য-৩: রাতে লিঙ্গের স্বকীয়তা : স্বীকার করুন আর না করুন অবিবাহিত পুরুষদের লিঙ্গ দিনের চেয়ে রাতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠে। বেশির ভাগ পুরুষেরই রাতে তিন থেকে পাঁচবার লিঙ্গ সজাগ হয় যখন সে কোন রোমান্টিক স্বপ্ন দেখে।রাতে লিঙ্গের এই কার‌যকারীতা লিঙ্গকে স্থিতিস্থাপকতা ও কুচে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।কারণ এটা একটা শারীরিক কার‌যকারীতা এজন্য অনেক ডাক্তার রোগীকে রাতের লিঙ্গের উত্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে যে কোন সমস্যা আছে কিনা।


রহস্য সত্য-২: লিঙ্গাগ্রের চামড়া রহস্য: যখন কোন ছেলে শিশু জন্ম নেয় তখন তার লিঙ্গের আগার চামড়া টুকু তার লিঙ্গকে বহিরাঘাত থেকে রক্ষা করে। তার লিঙ্গের অগ্র চামড়াটুকু মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তার লিঙ্গের টিস্যু থেকেই আবৃত হয়। লিঙ্গের অগ্রচামড়ার ভিতরের অংশটুকু আমাদের চোখ ও মুখের লালার মত একপ্রকার তরল দিয়ে ভরা থাকে যাতে শুকিয়ে না যায়।


রহস্য সত্য-১: যার জন্য যা প্রযোজ্য: আসলে মানুষ জন্মগতভাবে যে সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায় তা তার শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ছো্ট লিঙ্গ বা বড় লিঙ্গ কোন বিষয় নয়।এটা পুরোটাই মানসিক বিষয়।তাই জন্মগত ভাবে যা নিয়ে জন্মেছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা। তবে কখনই যৌন রোগে লজ্জ্বা পাওয়া ঠিক নয়। কেননা এটা অনেক সময় আমাদের শিশুদের জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তাই যৌন রোগ থেকে সাবধান থাকা। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৩

আমাদের দেশে প্রচলিত কিছু কু সংস্কার

১) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।

২) নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হবে।

৩) দোকানের প্রথম কাস্টমর ফেরত দিতে নাই।

৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।

৫) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।

৬) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।

৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।

৮) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।

৯) চোখে কোন গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগাইলে সুস্থ হয়ে যাবে।

১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।

১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।

১২) ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।

১৩) ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।

১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল দিতে হবে।

১৫) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, “ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।”

১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।

১৭) বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।

১৮) ঘরের ভিতরে প্রবেশ কৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। (অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে) তাহলে জ্বর হবে।

১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।

২০) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।

২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।

২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।

২৩) মহিলাদের মাসিক অবস্থায় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।

২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।

২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহরা নষ্ট হয়ে যাবে।

২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।

২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।

২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।

২৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।

৩০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না।

৩১) খানার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে বলা হয় খানা না কি কুকুরের পেটে চলে যায়।

৩২) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।

৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।

৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।

৩৫) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।

৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।

৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।

৩৮) কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বাহির হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন সে যাত্রা বন্ধ করে দেয়, বলে আমার যাত্রা আজ শুভ হবে না।

৩৯) ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।

৪০) রুমাল, ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।

৪১) হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।

৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।

৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।

৪৪) পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম (আত্মীয়)আসবে।

৪৫) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।

৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।

৪৭) খানার সময় যদি কারো ঢেকুর আসে বা মাথার তালুতে উঠে যায়, তখন একজন আরেকজনকে বলে, দোস্ত তোকে যেন কেউ স্মরণ করছে বা বলা হয় তোকে গালি দিচ্ছে।

৪৮) কাক ডাকলে বিপদ আসবে।

৪৯) শুঁকুন ডাকলে মানুষ মারা যাবে।

৫০) পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।

৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।

৫২) দুজনে ঘরে বসে কোথাও কথা বলতে লাগলে হঠাৎ টিকটিকির আওয়াজ শুনা যায়, তখন একজন অন্যজনকে বলে উঠে “দোস্ত তোর কথা সত্য, কারণ দেখছস না, টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে।”

৫৩) একজন অন্য জনের মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দিতে হবে, একবার টোকা খাওয়া যাবে না। নতুবা মাথায় ব্যথা হবে/শিং উঠবে।

৫৪) ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।

৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।

৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।

৫৭) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে।

৫৮) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।

৫৯) পিপড়া বা জল পোকা খেলে সাতার শিখবে।

৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে তা পাক করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।

৬১) সকাল বেটা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়– দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।

৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।

৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে যাত্রা (নগদ বিক্রি) না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না। তাহলে সারা দিন বাকীই যাবে।

৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা, মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সালাম করতে হবে, না হলে লক্ষ্মী চলে যাবে।

৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।

৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে ধই বলতে হয়।

৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় তাহলে যাত্রা অশুভ হবে।

৬৮) কোন ফসলের জমিতে বা ফল গাছে যাতে নযর না লাগে সে জন্য মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর (!!) আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যাবে।

৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হবে, কেননা বলা হয় কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

৭২) মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হবে।

৭৩) স্ত্রীগণ তাদের নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামীর বেঁচে না থাকার প্রমাণ।

৭৪) দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে।

৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হবে।

৭৬) বেচা কেনার সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেন মোহর (কাবীন) এর সময় করে থাকে, একলক্ষ এক টাকা ধার্য করা হয়।

৭৭) বন্ধু মহলে কয়েকজন বসে গল্প-গুজব করছে, তখন তাদের মধ্যে অনুপস্হিত কাউকে নিয়ে কথা চলছে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে, কেউ কেউ বলে উঠে “দোস্ত তোর হায়াত আছে।” কারণ একটু আগেই তোর কথা বলছিলাম।

৭৮) হঠাৎ বাম চোখ কাপলে দুখঃ আসে।

৭৯) বাড়ী থেকে কোথাও জাওয়ার উদ্দেশে বেড় হলে সে সময় বাড়ির কেউ পেছন থেকে ডাকলে অমঙল হয়।

৮০) স্বামীর নাম বলা জাবে না এতে অমঙল হয়।

৮১) বাচুর এর গলায় জুতার টুকরা জুলালে কারো কু দৃস্টি থেকে বাচা জায়।

প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ, আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে এধরনের বহু কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। যা প্রতিনিয়ত মানুষ কথায় ও কাজে ব্যবহার করে থাকে। এগুলোর প্রতি বিশ্বাস করা ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকী। কিছু কিছু হল শিরক এবং স্পষ্ট জাহেলিয়াত। কিছু কিছু সাধারণ বিবেক বিরোধী এবং রীতিমত হাস্যকরও বটে। মূলত: বাজারে ‘কি করিলে কি হয়’ মার্কা কিছু বই এসবের সরবরাহকারী। অশিক্ষিত কিছু মানুষ অন্ধবিশ্বাসে এগুলোকে লালন করে। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য কুসংস্কার থেকে এখানে কয়েকটি মাত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আপনাদের নিকট যদি কিছু থাকে তবে মন্তবের ঘরে সংযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। জাযাকুমুল্লাহু

শনিবার, ১১ মে, ২০১৩




ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়



আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার ১৫-০৫-১৩ বাংলাদেশ উপকূলে ঘূণিঝড়ের এ আঘাত আসতে পারে।

এতে লাখ লাখ মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

শেয়ার করে সবাই কে জানার সুযোগ করে দিন । আসন্ন বিপদের হাত থেকে বাচতে উপকুল বর্তি সবাই কে সজাগ হতে সহায়তা করবে।

Photo: ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়


আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার বাংলাদেশ উপকূলে ঘূণিঝড়ের এ আঘাত আসতে পারে। 

এতে লাখ লাখ মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

শেয়ার করে সবাই কে জানার সুযোগ করে দিন । আসন্ন বিপদের হাত থেকে বাচতে উপকুল বর্তি সবাই কে সজাগ হতে সহায়তা করবে।
রিমর্ট টি ঠিক আছে ! পরিক্ষা করুন মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে
=================================
[এখন যদি আপনার হাতে ক্যামেরা মোবইল থাকে এবং টিভি রিমর্ট থাকে তাহলে হয়ে যাক । খালি চোখে রিমর্ট এর লাইট দেখবেন না মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে লাইট দেখবেন]

বাসার টিভির, এয়ারকন্ডিশনের কিংবা মিউজিক প্লেয়ার সব অন্য যেসব ডিভাইসের রিমোর্ট আছে , সেই রিমোর্ট কন্ট্রোল গুলো কাজ করছে কিনা বুঝবেন কিভাবে, কি ব্যাটারী শেষ নাকি অকেজো হয়ে গেছে সেটা পরীক্ষা করতে হলে→

প্রথমে মোবাইলের ক্যামেরা ওপেন করুন এবং ক্যামেরার সামনে রিমোর্ট কন্ট্রোল্টি ধরে (যে অংশে ছোট এলইডি বা লাইট আছে) যেকোন কি চাপুন দেখবেন আপনার মোবাইলের ক্যামেরা স্ক্রীন এ ইনফ্রারেড রে বা লাইট জলছে কিনা?

দেখা যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন রিমর্ট টি ঠিক আছে , হয়ত ব্যাটারী পাল্টালেই চলবে,
আর নষ্ট হলে আপনি রে টি দেখতে পাবেননা।
------------------------------------------
কম্পিউটার, ফেসবুক, ইন্টারনেট -এ নতুন নতুন ট্রিপস সম্পর্খে জানুন। উপভোগ করুন ৫০০+ কম্পিউটার টিপস্! প্রতিদিনেই নতুন টিপস্ তো আছেই !

শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৩

 আল্লাহ্ তুমি সর্বশক্তিমান । আল্লাহ তুমি রেশমা কে বাচিয়ে রাখ । ৪০৮ ঘন্টা পরেও সাভারের দুর্ঘটানয় জীবিত আছেন রেশমা নামে একজন মেয়ে। আমরা তার দির্ঘায়ু কামনা করি।
সবাই কে শেয়ার করুন 

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

Have a Mosquito Problem??? 

At your next outdoor gathering try this SAFE and EFFECTIVE method of keeping mosquitoes at bay! Simply slice a lime in half and press in a good amount of cloves for an ALL NATURAL mosquito repellent... 

Make sure to SHARE THIS with your friends!

রবিবার, ৫ মে, ২০১৩


নাউজুবিল্লাহই মিন জালিক

জামাত , শিবির এবং হেফাজতে ইসলাম এই বার কোরআন শরীফ পোড়ালো !!!!!!

এরাই কি শেষ জামানার ইসলামের শত্রু?

এই দেশে এটাও দেখতে হলও, তাও কোন নাস্তিক না, অন্য কোন ধর্মের মানুষ না, এই কাজ করল হেফাজতে জামাত শিবির নামক মুনাফিকের বাচ্চারা, এখন বলবে এটা তারা করে নাই অথচ সবাই দেখেছে , ভিডিও আছে কারা করেছে,

এরপরেও যারা হেফজতে জামাত শিবিরকে সমর্থন করে , তারাই ইসলামের শত্রু, তাদের চিনে রাখুন, আপনার বন্ধুলিস্টে থাকলেও

আজ পৃথিবী জুরে কোরআন পোড়ানোর জন্য এদের কে বিচারের আওতার আনবেনা , কোন দেশে প্রতিবাদ করবে না
শেয়ার করে জানিয়ে দিন বিশ্ববাসি কে ।

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

যেভাবে গরম থেকে রক্ষা পেতে পারেন:

১. যতটা সম্ভব সূর্যের প্রত্যক্ষ তাপ এড়িয়ে চলুন।
২. হালকা পাতলা সুতি ও হালকা রংয়ের পোশাক পরিধান করুন।
৩. সাদা রংয়ের পোশাক পরিধান করুন।
৪. কালো রংয়ের পোশাক না পড়াই ভাল। কারণ কালো রংয়ের পোশাক তাপ শোষন করে।
৫. প্রচুর পরিমানে ঠান্ডা পানি খান।
৬. অন্যান্য পানির চেয়ে সাদা ঠান্ডা পানিই ভাল।
৭. ওআরএস স্যালাইন খাবেন।
৮. ছাতা নিন বা অন্য ব্যবস্থা
৯. গরম তেল মসলা ও ঘিয়ে ভাজা খাবার কম খাবেন।
১০. কাজের ফাঁকে ফাকে একটু জিরিয়ে নিন। এতে করে বিশেষ উপকার পাবেন।

আমাদের বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে প্রচন্ড গরম পড়ে। আমাদের এ অঞ্চলে যখন পরপর বেশ কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড গরম পড়ে। রাতের তাপমাত্রা ও তেমন একটা কমে না। তখন একে বলা হয় হিট ওয়েভ বা তাপ প্রবাহ। ডাক্তাররা বলেন গরম জনিত অসুস্থতা এড়াতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ঠান্ডা পানি খাওয়া। বেশি ঘাম হলে এবং পরিমিত পরিমান পানি না খেলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীরের পানি দ্রুত কমে যায়। দেহ কোষ কাজ করতে পারে না। এই অবস্থায় আমাদের কাজ ও চিন্তা করার ক্ষমতা কমে যায়। দুর্বলতা এমন পর্যায়ে পৌছায়,যে হাটা চলা করা ও মুসকিল হয়ে পড়ে। এর চিকিৎসা হল ঠান্ডা জায়গায় থাকুন। ঠান্ডা পানি খান। প্রচুর স্যালাইন খান। শরীর বেশি ব্যথা হলে ক্লোফেনাক বা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খান। আরও একটা রোগ আছে , যাকে বলা হয় হিটস্ট্রোক। এই হিটস্ট্রোকে রোগীর দেহের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে উঠে যায়। তখন দেহ থেকে আর ঘাম বের হয় না। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। ডাক্তাররা বলেন-দেহের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ছাড়িয়ে গেলে, দেহের টিস্যু বা কলা কাজ করার ক্ষমতা হারায়। এতে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি ও হতে পারে। ডাক্তারদের কাছে হিটস্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে যাবার আগেই। তাকে ঠান্ডা জাগায় নিয়ে যান। গায়ের পোশাক খুলে দিন। গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন। কাধ ও বাহুর নিচে বরফ ঘষুন। 

আরো দেখুন
আদার রসেরউপকারিতাঃ

☻আদার রস খেলে আহারে রুচি আসে এবং ক্ষুধা বাড়ে।
☻আদার রসে মধু মিশিয়ে খেলে কাশি সারে।
☻আদা পেট পরিষ্কার করে।
☻আদার রসে পেটব্যথা কমে।
☻আদা পাকস'লী ও লিভারের শক্তি বাড়ায়।
☻আদা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
☻আদার রস শরীর শীতল করে।
☻আদা রক্তশূন্যতা দূর করে।

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩

ঢাকা: সাভার রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে ৮৭ ঘণ্টা পর চার জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 

রাত পৌনে ১০টার সময় এদের উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

উদ্ধার হওয়া চারজন রানা প্লাজা তিন তলায় অবস্থিত নিউ ওয়েব গার্মেন্টেসের কর্মরত ছিলেন। বিকেল ৫টা 

থেকে দীর্ঘ চেষ্টার পর এদের উদ্ধার করা হয়। তিন তলায় এখনও ৫০ জন জীবিত আছে বলে জানিয়েছে 

সংশ্লিষ্টরা।

উদ্ধার কর্মী দেওয়ান ফয়েজ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, “পৌনে ১০টার সময় আমরা চার জনতে উদ্ধার করেছি। 

তিন তলায় এখনও ৫০ জন জীবিত আছে বলে ধারণা করছি। তাদেরও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।” ( 

বাংলানিউজ২৪)
কিছু র‍্যান্ডম ফ্যাক্ট!

১. সমাজবিজ্ঞান অনুযায়ী পতিতাবৃত্তিও এক ধরনের সমাজসেবা।

২. 1920 এ একটি কুকুর প্রায় নয় বছর ধরে তার মালিকের কবরের কাছে বসে অপেক্ষা করেছিল নিজে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত। এটাই হল প্রভুভক্তি।

৩. Shitsenders নামে একটি সাইট আছে যাতে আপনি অর্ডার দিলে আপনার শত্রুর বাড়িতে বেনামে গরু, ঘোড়া, হাতি অথবা গরিলার মল
পাঠাবে। এরচেয়ে ভালো প্রতিশোধ আর কি হতে পারে।

৪. ডিজনির Princess and the frog সিনেমাটি বের হওয়ার পর প্রায় পঞ্চাশজন ছেলেমেয়ে হাসপাতালে ভর্তি কারন তারা ব্যাঙের মুখে Kiss করার ফলে এর জীবানুর দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল।

৫. আমেরিকার নেব্রাসকায় একটি গ্রাম আছে যার অধিবাসী মাত্র এক জন। সে নিজেকে ওই গ্রামের মেয়র মানে আর নিজেকে নিজে ট্যাক্স দেয়।

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩

রূপ চর্চা:

১.কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।

২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে ।

৩.ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।গ্যারান্টি ।

৪.পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার কাছে ঝামেলা লাগে ?আরে আমি আছি না ?আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।ফর্সা হবে পরিস্কার হবে

৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।

৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না ,নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।

নিজে জানুন আর অন্যকে জানতে দিন.

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩


মোবাইল ফোনে চার্জ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে। বিদ্যুৎ না থাকলেও কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। পানিতেই চলবে মোবাইল চার্জ।পানিতেই মোবাইল চার্জ
 
হাতের কাছের নল-ডোবা-পুকুর কিংবা নদীর পানি ব্যবহার করতে পারবেন মোবাইল চার্জ করার জন্য, সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়।
 
সুইডেনের স্টকহোমে কেটিএইচ রয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা এমন চার্জার তৈরি করেছেন,যেটিতে পানি দিলেই কাজ করবে।
 
সে পানি সামান্য ময়লাযুক্ত হলেও সমস্যা নেই। মাইক্রোফয়েল সেল প্রযুক্তিতে তৈরি চার্জার ‘এমওয়াইএফসি পাওয়ারট্রেক’ পানি পেলে ৩ ওয়াট ব্যাটারি রিচার্জ করতে পারবে।
 
গবেষক অ্যান্ডারস লুনডব্ল্যাড বলেন,চার্জারের অভ্যন্তরে ধাতব ডিস্কে পানি পড়লেই হাইড্রোজেন গ্যাস বের হবে। অক্সিজেনের সঙ্গে তা মিশে রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করবে। এতেই চার্জ হবে ব্যাটারি।
 
এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ল্যাপটপ চালানো নিয়ে সমস্যাও দূর করা যাবে। খবর সায়েন্স ডেইলি অনলাইনের।
মঙ্গলগ্রহে যেতে আগ্রহীদের খুঁজতে শুরু করেছে নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি মার্স ওয়ান। তবে লাল গ্রহটিতে শুধু যাওয়ার ব্যবস্থা করবে কোম্পানিটি। আসার কোনো সুযোগ থাকবে না—যাকে বলে ওয়ানওয়ে টিকিট। অর্থাত্ নির্বাচিত প্রার্থীরা শুধু মঙ্গলগ্রহে যেতে পারবেন। সেখান থেকে এই ধরাধামে আর ফিরতে পারবেন না।
নিউইয়র্কে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্স ওয়ানের সিইও বাস ল্যান্সডর্প ঘোষণা করেন, যে কেউ মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে যারা যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা কখনোই পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন না। কারণ এখনো এমন প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি যে, মঙ্গলগ্রহ থেকে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে।
ল্যান্সডর্প বলেন, ‘আজ থেকে মার্স ওয়ান মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দাদের অনুসন্ধানের কাজ শুরু করল। বিশ্বের যে কোনো দেশের লোক মঙ্গলগ্রহে বসতি স্থাপন করতে পারবেন। অলাভজনক সংস্থা মার্স ওয়ান ২০২৩ সালে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠাবে। এরপর প্রতি দু’বছর পরপর নভোচারী পাঠানো হবে। ল্যান্সডর্প বলেন, তাদের উদ্দেশ্য মঙ্গলে মানুষের স্থায়ী উপনিবেশ স্থাপন করা।
মঙ্গলগ্রহে অভিযানের যাত্রা শুরুসহ এর বিভিন্ন দিক ইনটারনেটে প্রচার করা হবে এবং বিশ্বের ৪০০ কোটি লোক তা দেখবে বলে জানান ল্যান্সডর্প।
ল্যান্সডর্প জানান, আগ্রহীদের ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এই ফির মাধ্যমেই যোগাড় করা হবে প্রাক্কলিত ৬০০ কোটি ডলার ব্যয়। 
আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮-৪০ বছর। তাদের থাকতে হবে সুস্বাস্থ্য। তাকে টিকে থাকার কৌশল রপ্ত করতে হবে এবং অবশ্যই ভালো ইংরেজি জানতে হবে। উড্ডয়নের আগে মঙ্গলগ্রহের অভিযাত্রীদের সাত বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যাত্রা শুরুর পর লাল গ্রহটিতে পৌঁছতে সাত মাস সময় লাগবে।
পৃথিবীতে আর ফিরতে পারবে না—এমন অবস্থায় কাউকে মঙ্গলগ্রহে পাঠানো নৈতিক দিক থেকে সমর্থনযোগ্য কিনা জানতে চাইলে ল্যান্সডর্প বলেন, এই অভিযাত্রা ‘আদর্শিক’ এবং ‘এটা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে’।
মার্স ওয়ান এরপর দুই বছর পরপর মঙ্গলগ্রহে নভোযান পাঠাবে। দ্বিতীয়বার পাঠানো হবে ২০২৫ সালে। প্রতিটি নভোযানে থাকবে দুজন নারী ও দু’জন পুরুষ। তবে তাদের সন্তান ধারণের সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হবে না। 
বিষয়টির ব্যাখ্যা করে ল্যান্সডর্প বলেন, ‘এসব লোক মঙ্গলগ্রহে ক্ষুদ্র পরিবেশে বাস করবে। এটা হবে বিপজ্জনক পরিবেশ। কাজেই সম্ভাব্য বাবা-মাকে নিজেদেরই জিজ্ঞাসা করতে হবে যে সেখানে সন্তান নেয়া ঠিক হবে কিনা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের মঙ্গলগ্রহে পাঠাচ্ছি তারা সবাই হবেন দায়িত্বশীল লোক।’
ল্যান্সডর্পের মতে, মঙ্গলগ্রহে অভিযানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা।
ল্যান্সডর্প জানান, নভোচারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই রোবট পাঠিয়ে তাদের জন্য বাসযোগ্য বসতি স্থাপন করা হবে। সেখানে থাকবে ব্যায়ামের সামগ্রী। তারা বর্তমানের স্কাইপ আদলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীতে বসবাসরত তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে সংযোগ পেতে স্থানভেদে ৬ থেকে ২০ মিনিট বিলম্ব হতে পারে। সেখানে তাদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও থাকবে টেলিভিশনের ব্যবস্থা। 
মার্স ওয়ান জানিয়েছে, এরই মধ্যে পৃথিবীর ১০০টি দেশ থেকে ১০ হাজার সম্ভাব্য আবেদনকারী তাদের কাছে নানা তথ্য জানতে চেয়েছেন। 
তথ্যসূত্র : সিএনএন, আল জাজিরা ও সায়েন্স ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট

▼▼ মঙ্গলে মানববসতিঃ ১০ হাজার আবেদন ▼▼

• ২০২৩ সাল নাগাদ মঙ্গলে বসবাস উপযোগী একটি মনুষ্য কলোনি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর প্রায় ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এটিতে অংশ নিতে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী নারী-পুরুষ আবেদন করেছেন। যদিও কাউকেই আর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে না। অর্থাৎ এটি হবে ‘ওয়ানওয়ে’ ভ্রমণ।
• বিস্তারিতঃ http://www.sciencetech24.com/news/2231#.UXXqtNRWJdQ
•• www.sciencetech24.com এ লিখতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
মেইল করুনঃ request@sciencetech24.com এ।
▼▼ মঙ্গলে মানববসতিঃ ১০ হাজার আবেদন ▼▼

• ২০২৩ সাল নাগাদ মঙ্গলে বসবাস উপযোগী একটি মনুষ্য কলোনি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর প্রায় ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এটিতে অংশ নিতে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী নারী-পুরুষ আবেদন করেছেন। যদিও কাউকেই আর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে না। অর্থাৎ এটি হবে ‘ওয়ানওয়ে’ ভ্রমণ।
• বিস্তারিতঃ http://www.sciencetech24.com/news/2231#.UXXqtNRWJdQ

এই গরমে কিডনি স্টোন থেকে বাঁচবেন কীভাবে?
বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ কিডনি স্টোনের
সমস্যায় কষ্ট পান।
একটা তথ্য জানেন কি? গরমে কিডনি স্টোনের
সমস্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়?
হ্যাঁ, ঠিক এমন তথ্যই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
যারা খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন
এবং সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার সুযোগ
পান না, তাদের মধ্যে কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবহাওয়ার বদলের
সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ৫-৭
ডিগ্রি বেড়ে গেলে কিডনি স্টোনের সমস্যাও ৩০
শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অনেককেই কাজের
প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়
বদলি হতে হয়। সেক্ষেত্রে যারা অপেক্ষাকৃত
ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম অঞ্চলে স্থানান্তরিত হন,
তাদের কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
তাপমাত্রাবৃদ্ধি র সঙ্গে শরীর থেকে ঘামের
মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। তখন যদি পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি না খাওয়া হয় তখন উচ্চমাত্রায়
ইউরিন কনসেনট্রেশন হয়, যা কিডনিতে স্টোন হওয়ার
একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাপমাত্রা বাড়ার
সঙ্গে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন, কিডনিতে স্টোন
হওয়ার এটিও অন্যতম কারণ।
কিডনি স্টোন এড়ানোর জন্যে নয়টি বিশেষ উপায়ের
খোঁজ দিলেন চিফ ইউরোলজিস্ট অভিনন্দন সাদলালগে:
১) সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। অন্তত দুই
লিটার তো নিশ্চয়ই। এছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার
আগেও খানিকটা পানি খেয়ে তবেই শুতে যান।
এতে সারা রাত শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
২) নুন-লেবু-চিনির পানি খান।
৩) নরম পানীয়, আইসড টি, চকোলেট,
স্ট্রবেরি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। এই
সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট
থাকে যা ক্যালশিয়াম অক্সালেট কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৪) ক্যাফেন অথবা কফি যতটা সম্ভব কম খান।
কফি বেশি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।
৫) কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না।
৬) প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৭) অ্যানিমাল প্রোটিন যেমন মাংস, মাছ ও ডিম
যতটা সম্ভব কম খান। এই ধরনের খাবারে প্রচুর
পরিমাণে পিউরাইন থাকে যা খুব তাড়াতাড়ি ইউরিক
অ্যাসিডে ভেঙে যায়।
৮) প্রচুর পরিমাণে স্যালাড খান। শরীর হাইড্রেটেড
থাকবে।
৯) নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন এবং ওজন
নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
 এই গরমে কিডনি স্টোন থেকে বাঁচবেন কীভাবে?
বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ কিডনি স্টোনের
সমস্যায় কষ্ট পান।
একটা তথ্য জানেন কি? গরমে কিডনি স্টোনের
সমস্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়?
হ্যাঁ, ঠিক এমন তথ্যই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
যারা খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন
এবং সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার সুযোগ
পান না, তাদের মধ্যে কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবহাওয়ার বদলের
সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ৫-৭
ডিগ্রি বেড়ে গেলে কিডনি স্টোনের সমস্যাও ৩০
শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অনেককেই কাজের
প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়
বদলি হতে হয়। সেক্ষেত্রে যারা অপেক্ষাকৃত
ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম অঞ্চলে স্থানান্তরিত হন,
তাদের কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
তাপমাত্রাবৃদ্ধি র সঙ্গে শরীর থেকে ঘামের
মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। তখন যদি পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি না খাওয়া হয় তখন উচ্চমাত্রায়
ইউরিন কনসেনট্রেশন হয়, যা কিডনিতে স্টোন হওয়ার
একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাপমাত্রা বাড়ার
সঙ্গে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন, কিডনিতে স্টোন
হওয়ার এটিও অন্যতম কারণ।
কিডনি স্টোন এড়ানোর জন্যে নয়টি বিশেষ উপায়ের
খোঁজ দিলেন চিফ ইউরোলজিস্ট অভিনন্দন সাদলালগে:
১) সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। অন্তত দুই
লিটার তো নিশ্চয়ই। এছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার
আগেও খানিকটা পানি খেয়ে তবেই শুতে যান।
এতে সারা রাত শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
২) নুন-লেবু-চিনির পানি খান।
৩) নরম পানীয়, আইসড টি, চকোলেট,
স্ট্রবেরি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। এই
সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট
থাকে যা ক্যালশিয়াম অক্সালেট কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৪) ক্যাফেন অথবা কফি যতটা সম্ভব কম খান।
কফি বেশি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।
৫) কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না।
৬) প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৭) অ্যানিমাল প্রোটিন যেমন মাংস, মাছ ও ডিম
যতটা সম্ভব কম খান। এই ধরনের খাবারে প্রচুর
পরিমাণে পিউরাইন থাকে যা খুব তাড়াতাড়ি ইউরিক
অ্যাসিডে ভেঙে যায়।
৮) প্রচুর পরিমাণে স্যালাড খান। শরীর হাইড্রেটেড
থাকবে।
৯) নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন এবং ওজন
নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩


বেলজিয়ামের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের ট্রেনকে!!!

এটি বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞাপন নয়, বিজ্ঞাপনটি বেলজিয়ামের একটি ফার্ণিচার প্রতিষ্ঠানের এবং বিজ্ঞাপনী এজেন্সিও বেলজিয়ামের। আমাদের ট্রেন হয়েছে তাদের মডেল! ... এমন দৃশ্যকে বিজ্ঞাপনে ধারণ করতে হলে বাংলাদেশের ট্রেন ছাড়া উপায় নেই।https://www.facebook.com/TomayaDhareRakhateParini?ref=hl
বেলজিয়ামের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের ট্রেনকে!!!

এটি বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞাপন নয়, বিজ্ঞাপনটি বেলজিয়ামের একটি ফার্ণিচার প্রতিষ্ঠানের এবং বিজ্ঞাপনী এজেন্সিও বেলজিয়ামের। আমাদের ট্রেন হয়েছে তাদের মডেল! ... এমন দৃশ্যকে বিজ্ঞাপনে ধারণ করতে হলে বাংলাদেশের ট্রেন ছাড়া উপায় নেই।

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩


তেজপাতা সুগন্ধি মসলা। কাঁচাপাতার রং সবুজ আর শুকনো পাতার রং বাদামি। এটি শুধু মসলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এর অনেক ঔষধি গুণও আছে।

উপকারিতাঃ

* পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধকরে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেত্বকের

অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।

* ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।

* প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গেতেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।

* চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।

* তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।

* যাদের সময় কম তারা তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়েও তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।

* সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মেখে গোসল করুন। এতে ময়লা পরিষ্কার হবে।

* তেজপাতা চূর্ণ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যাবে। 

নিজে উপকৃত হলে শেয়ার করে প্রোফাইলের বন্ধুদেরকেও জানিয়ে দিতে পারেন।

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩

This bilboard is for the University of Engineering and Technology of Peru (UTEC) in Lima, Peru. The air there is incredibly humid, and this billboard uses that humidity to produce drinking water from thin air. Many people in Lima have limited access to clean drinking water.

Sony has announced that it managed to come up with a battery powered by paper. 

The batteries developed by the Japanese tech giant make use of enzymes in order to break down the glucose found in the cellulose of the paper (which by the way is made of wood pulp fibers).

During an experiment the paper was placed into a mix of water and enzymes. After a couple of minutes the liquid started generating enough power to activate a small fan.After enzymes broke down the paper, they were left with sugar that was produced from cellulose. Then they were able to process the sugar to produce hydrogen ions and electrons. The latter then went through an outer circuit to produce power. Mixed with oxygen in the air, the hydrogen ions were then able to create H2O


A Car that Goes 1,000 km in a Litre

Abu Dhabi: A team of engineering students in the UAE have designed a car that could potentially travel up to 1,000 km on just one litre of fuel.

The lightweight vehicle -- named Eco-Dubai 1 -- is in its final stage of construction and will begin testing in the next two weeks.

The product of almost two years of work by students at the Higher Colleges of Technology Dubai Men's College, the vehicle is half a metre wide, two metres long and half a metre high and weighs about 25 kg.

It will enter a race in July against similarly designed cars from around the world, including four other vehicles produced in the UAE.

Ahmad Khamis Al Suwaidi, one of the students behind the car, said: "Petrol is not going to last forever. One day we're going to run out. So in terms of developing a local eco-car industry, it starts with us. We're the future of the UAE in this."

The students will put their creation to the test at Shell's Eco-Marathon to be held July 4-7 in Kuala Lumpur.

The competition is based on designing a car that can travel the farthest on just one litre of fuel.

Students are allowed to use electricity, solar or hybrid technologies to reach their goal.

The record for the longest distance travelled is held by students from France's Polytech Nantes University, who designed a car that travelled almost 4,900 km.

শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৩


তাইওয়ানের মাছ শিকারিরা এভাবে আলো জ্বালিয়ে মাছকে আকর্ষিত করে এবং ঝাঁকে ঝাঁকে জালে উঠায়!
তাইওয়ানের মাছ শিকারিরা এভাবে আলো জ্বালিয়ে মাছকে আকর্ষিত করে এবং ঝাঁকে ঝাঁকে জালে উঠায়!

তাইওয়ানের মাছ শিকারিরা এভাবে আলো জ্বালিয়ে মাছকে আকর্ষিত করে এবং ঝাঁকে ঝাঁকে জালে উঠায়!
তাইওয়ানের মাছ শিকারিরা এভাবে আলো জ্বালিয়ে মাছকে আকর্ষিত করে এবং ঝাঁকে ঝাঁকে জালে উঠায়!

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৩


কেপলারের গ্রহীয় গতিসূত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্যোতির্বিজ্ঞানে কেপলারের গ্রহীয় গতিসূত্র (ইংরেজি ভাষায়: Kepler's laws of planetary motion) সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে। অবশ্য যেকোন তারার চারপাশে গ্রহের আবর্তন বা আরও সাধারণভাবে যেকোন বস্তুর চারপাশে আরেকটি বস্তুর ঘূর্ণন ব্যাখ্যার কাজে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলার গ্রহের গতির তিনটি সূত্র দিয়েছিলেন:[১]
  1. প্রতিটি গ্রহের কক্ষপথ একটি উপবৃত্ত সূর্য যার একটি ফোকাসে অবস্থিত।
  2. সূর্য এবং একটি গ্রহকে সংযোগকারী রেখা গ্রহের আবর্তনের সাথে সাথে সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
  3. একটি গ্রহের কক্ষীয় পর্যায়কালের বর্গ তার কক্ষপথের পরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।