ঢাকা: সাভার রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে ৮৭ ঘণ্টা পর চার জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রাত পৌনে ১০টার সময় এদের উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া চারজন রানা প্লাজা তিন তলায় অবস্থিত নিউ ওয়েব গার্মেন্টেসের কর্মরত ছিলেন। বিকেল ৫টা
থেকে দীর্ঘ চেষ্টার পর এদের উদ্ধার করা হয়। তিন তলায় এখনও ৫০ জন জীবিত আছে বলে জানিয়েছে
সংশ্লিষ্টরা।
উদ্ধার কর্মী দেওয়ান ফয়েজ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, “পৌনে ১০টার সময় আমরা চার জনতে উদ্ধার করেছি।
তিন তলায় এখনও ৫০ জন জীবিত আছে বলে ধারণা করছি। তাদেরও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।” (
বাংলানিউজ২৪)
শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩
কিছু র্যান্ডম ফ্যাক্ট!
১. সমাজবিজ্ঞান অনুযায়ী পতিতাবৃত্তিও এক ধরনের সমাজসেবা।
২. 1920 এ একটি কুকুর প্রায় নয় বছর ধরে তার মালিকের কবরের কাছে বসে অপেক্ষা করেছিল নিজে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত। এটাই হল প্রভুভক্তি।
৩. Shitsenders নামে একটি সাইট আছে যাতে আপনি অর্ডার দিলে আপনার শত্রুর বাড়িতে বেনামে গরু, ঘোড়া, হাতি অথবা গরিলার মল
পাঠাবে। এরচেয়ে ভালো প্রতিশোধ আর কি হতে পারে।
৪. ডিজনির Princess and the frog সিনেমাটি বের হওয়ার পর প্রায় পঞ্চাশজন ছেলেমেয়ে হাসপাতালে ভর্তি কারন তারা ব্যাঙের মুখে Kiss করার ফলে এর জীবানুর দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল।
৫. আমেরিকার নেব্রাসকায় একটি গ্রাম আছে যার অধিবাসী মাত্র এক জন। সে নিজেকে ওই গ্রামের মেয়র মানে আর নিজেকে নিজে ট্যাক্স দেয়।
১. সমাজবিজ্ঞান অনুযায়ী পতিতাবৃত্তিও এক ধরনের সমাজসেবা।
২. 1920 এ একটি কুকুর প্রায় নয় বছর ধরে তার মালিকের কবরের কাছে বসে অপেক্ষা করেছিল নিজে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত। এটাই হল প্রভুভক্তি।
৩. Shitsenders নামে একটি সাইট আছে যাতে আপনি অর্ডার দিলে আপনার শত্রুর বাড়িতে বেনামে গরু, ঘোড়া, হাতি অথবা গরিলার মল
পাঠাবে। এরচেয়ে ভালো প্রতিশোধ আর কি হতে পারে।
৪. ডিজনির Princess and the frog সিনেমাটি বের হওয়ার পর প্রায় পঞ্চাশজন ছেলেমেয়ে হাসপাতালে ভর্তি কারন তারা ব্যাঙের মুখে Kiss করার ফলে এর জীবানুর দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল।
৫. আমেরিকার নেব্রাসকায় একটি গ্রাম আছে যার অধিবাসী মাত্র এক জন। সে নিজেকে ওই গ্রামের মেয়র মানে আর নিজেকে নিজে ট্যাক্স দেয়।
বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
রূপ চর্চা:
১.কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।
২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে ।
৩.ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।গ্যারান্টি ।
৪.পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার কাছে ঝামেলা লাগে ?আরে আমি আছি না ?আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।ফর্সা হবে পরিস্কার হবে
৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।
৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না ,নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।
নিজে জানুন আর অন্যকে জানতে দিন.
১.কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।
২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে ।
৩.ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।গ্যারান্টি ।
৪.পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার কাছে ঝামেলা লাগে ?আরে আমি আছি না ?আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।ফর্সা হবে পরিস্কার হবে
৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।
৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না ,নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।
নিজে জানুন আর অন্যকে জানতে দিন.
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩
মোবাইল ফোনে চার্জ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে। বিদ্যুৎ না থাকলেও কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। পানিতেই চলবে মোবাইল চার্জ।
হাতের কাছের নল-ডোবা-পুকুর কিংবা নদীর পানি ব্যবহার করতে পারবেন মোবাইল চার্জ করার জন্য, সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়।
সুইডেনের স্টকহোমে কেটিএইচ রয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা এমন চার্জার তৈরি করেছেন,যেটিতে পানি দিলেই কাজ করবে।
সে পানি সামান্য ময়লাযুক্ত হলেও সমস্যা নেই। মাইক্রোফয়েল সেল প্রযুক্তিতে তৈরি চার্জার ‘এমওয়াইএফসি পাওয়ারট্রেক’ পানি পেলে ৩ ওয়াট ব্যাটারি রিচার্জ করতে পারবে।
গবেষক অ্যান্ডারস লুনডব্ল্যাড বলেন,চার্জারের অভ্যন্তরে ধাতব ডিস্কে পানি পড়লেই হাইড্রোজেন গ্যাস বের হবে। অক্সিজেনের সঙ্গে তা মিশে রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করবে। এতেই চার্জ হবে ব্যাটারি।
এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ল্যাপটপ চালানো নিয়ে সমস্যাও দূর করা যাবে। খবর সায়েন্স ডেইলি অনলাইনের।
মঙ্গলগ্রহে যেতে আগ্রহীদের খুঁজতে শুরু করেছে নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি মার্স ওয়ান। তবে লাল গ্রহটিতে শুধু যাওয়ার ব্যবস্থা করবে কোম্পানিটি। আসার কোনো সুযোগ থাকবে না—যাকে বলে ওয়ানওয়ে টিকিট। অর্থাত্ নির্বাচিত প্রার্থীরা শুধু মঙ্গলগ্রহে যেতে পারবেন। সেখান থেকে এই ধরাধামে আর ফিরতে পারবেন না।
নিউইয়র্কে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্স ওয়ানের সিইও বাস ল্যান্সডর্প ঘোষণা করেন, যে কেউ মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে যারা যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা কখনোই পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন না। কারণ এখনো এমন প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি যে, মঙ্গলগ্রহ থেকে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে।
ল্যান্সডর্প বলেন, ‘আজ থেকে মার্স ওয়ান মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দাদের অনুসন্ধানের কাজ শুরু করল। বিশ্বের যে কোনো দেশের লোক মঙ্গলগ্রহে বসতি স্থাপন করতে পারবেন। অলাভজনক সংস্থা মার্স ওয়ান ২০২৩ সালে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠাবে। এরপর প্রতি দু’বছর পরপর নভোচারী পাঠানো হবে। ল্যান্সডর্প বলেন, তাদের উদ্দেশ্য মঙ্গলে মানুষের স্থায়ী উপনিবেশ স্থাপন করা।
মঙ্গলগ্রহে অভিযানের যাত্রা শুরুসহ এর বিভিন্ন দিক ইনটারনেটে প্রচার করা হবে এবং বিশ্বের ৪০০ কোটি লোক তা দেখবে বলে জানান ল্যান্সডর্প।
ল্যান্সডর্প জানান, আগ্রহীদের ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এই ফির মাধ্যমেই যোগাড় করা হবে
প্রাক্কলিত ৬০০ কোটি ডলার ব্যয়।
আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮-৪০ বছর। তাদের থাকতে হবে সুস্বাস্থ্য। তাকে টিকে থাকার কৌশল রপ্ত করতে হবে এবং অবশ্যই ভালো ইংরেজি জানতে হবে। উড্ডয়নের আগে মঙ্গলগ্রহের অভিযাত্রীদের সাত বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যাত্রা শুরুর পর লাল গ্রহটিতে পৌঁছতে সাত মাস সময় লাগবে।
পৃথিবীতে আর ফিরতে পারবে না—এমন অবস্থায় কাউকে মঙ্গলগ্রহে পাঠানো নৈতিক দিক থেকে সমর্থনযোগ্য কিনা জানতে চাইলে ল্যান্সডর্প বলেন, এই অভিযাত্রা ‘আদর্শিক’ এবং ‘এটা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে’।
মার্স ওয়ান এরপর দুই বছর পরপর মঙ্গলগ্রহে নভোযান পাঠাবে। দ্বিতীয়বার পাঠানো হবে ২০২৫ সালে। প্রতিটি নভোযানে থাকবে দুজন নারী ও দু’জন পুরুষ। তবে তাদের সন্তান ধারণের সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হবে না।
বিষয়টির ব্যাখ্যা করে ল্যান্সডর্প বলেন, ‘এসব লোক মঙ্গলগ্রহে ক্ষুদ্র পরিবেশে বাস করবে। এটা হবে বিপজ্জনক পরিবেশ। কাজেই সম্ভাব্য বাবা-মাকে নিজেদেরই জিজ্ঞাসা করতে হবে যে সেখানে সন্তান নেয়া ঠিক হবে কিনা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের মঙ্গলগ্রহে পাঠাচ্ছি তারা সবাই হবেন দায়িত্বশীল লোক।’
ল্যান্সডর্পের মতে, মঙ্গলগ্রহে অভিযানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা।
ল্যান্সডর্প জানান, নভোচারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই রোবট পাঠিয়ে তাদের জন্য বাসযোগ্য বসতি স্থাপন করা হবে। সেখানে থাকবে ব্যায়ামের সামগ্রী। তারা বর্তমানের স্কাইপ আদলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীতে বসবাসরত তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে সংযোগ পেতে স্থানভেদে ৬ থেকে ২০ মিনিট বিলম্ব হতে পারে। সেখানে তাদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও থাকবে টেলিভিশনের ব্যবস্থা।
মার্স ওয়ান জানিয়েছে, এরই মধ্যে পৃথিবীর ১০০টি দেশ থেকে ১০ হাজার সম্ভাব্য আবেদনকারী তাদের কাছে নানা তথ্য জানতে চেয়েছেন।
তথ্যসূত্র : সিএনএন, আল জাজিরা ও সায়েন্স ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট
নিউইয়র্কে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্স ওয়ানের সিইও বাস ল্যান্সডর্প ঘোষণা করেন, যে কেউ মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে যারা যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা কখনোই পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন না। কারণ এখনো এমন প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি যে, মঙ্গলগ্রহ থেকে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে।
ল্যান্সডর্প বলেন, ‘আজ থেকে মার্স ওয়ান মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দাদের অনুসন্ধানের কাজ শুরু করল। বিশ্বের যে কোনো দেশের লোক মঙ্গলগ্রহে বসতি স্থাপন করতে পারবেন। অলাভজনক সংস্থা মার্স ওয়ান ২০২৩ সালে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠাবে। এরপর প্রতি দু’বছর পরপর নভোচারী পাঠানো হবে। ল্যান্সডর্প বলেন, তাদের উদ্দেশ্য মঙ্গলে মানুষের স্থায়ী উপনিবেশ স্থাপন করা।
মঙ্গলগ্রহে অভিযানের যাত্রা শুরুসহ এর বিভিন্ন দিক ইনটারনেটে প্রচার করা হবে এবং বিশ্বের ৪০০ কোটি লোক তা দেখবে বলে জানান ল্যান্সডর্প।
ল্যান্সডর্প জানান, আগ্রহীদের ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এই ফির মাধ্যমেই যোগাড় করা হবে
আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮-৪০ বছর। তাদের থাকতে হবে সুস্বাস্থ্য। তাকে টিকে থাকার কৌশল রপ্ত করতে হবে এবং অবশ্যই ভালো ইংরেজি জানতে হবে। উড্ডয়নের আগে মঙ্গলগ্রহের অভিযাত্রীদের সাত বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যাত্রা শুরুর পর লাল গ্রহটিতে পৌঁছতে সাত মাস সময় লাগবে।
পৃথিবীতে আর ফিরতে পারবে না—এমন অবস্থায় কাউকে মঙ্গলগ্রহে পাঠানো নৈতিক দিক থেকে সমর্থনযোগ্য কিনা জানতে চাইলে ল্যান্সডর্প বলেন, এই অভিযাত্রা ‘আদর্শিক’ এবং ‘এটা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে’।
মার্স ওয়ান এরপর দুই বছর পরপর মঙ্গলগ্রহে নভোযান পাঠাবে। দ্বিতীয়বার পাঠানো হবে ২০২৫ সালে। প্রতিটি নভোযানে থাকবে দুজন নারী ও দু’জন পুরুষ। তবে তাদের সন্তান ধারণের সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হবে না।
বিষয়টির ব্যাখ্যা করে ল্যান্সডর্প বলেন, ‘এসব লোক মঙ্গলগ্রহে ক্ষুদ্র পরিবেশে বাস করবে। এটা হবে বিপজ্জনক পরিবেশ। কাজেই সম্ভাব্য বাবা-মাকে নিজেদেরই জিজ্ঞাসা করতে হবে যে সেখানে সন্তান নেয়া ঠিক হবে কিনা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের মঙ্গলগ্রহে পাঠাচ্ছি তারা সবাই হবেন দায়িত্বশীল লোক।’
ল্যান্সডর্পের মতে, মঙ্গলগ্রহে অভিযানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা।
ল্যান্সডর্প জানান, নভোচারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই রোবট পাঠিয়ে তাদের জন্য বাসযোগ্য বসতি স্থাপন করা হবে। সেখানে থাকবে ব্যায়ামের সামগ্রী। তারা বর্তমানের স্কাইপ আদলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীতে বসবাসরত তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে সংযোগ পেতে স্থানভেদে ৬ থেকে ২০ মিনিট বিলম্ব হতে পারে। সেখানে তাদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও থাকবে টেলিভিশনের ব্যবস্থা।
মার্স ওয়ান জানিয়েছে, এরই মধ্যে পৃথিবীর ১০০টি দেশ থেকে ১০ হাজার সম্ভাব্য আবেদনকারী তাদের কাছে নানা তথ্য জানতে চেয়েছেন।
তথ্যসূত্র : সিএনএন, আল জাজিরা ও সায়েন্স ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট

▼▼ মঙ্গলে মানববসতিঃ ১০ হাজার আবেদন ▼▼
• ২০২৩ সাল নাগাদ মঙ্গলে বসবাস উপযোগী একটি মনুষ্য কলোনি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর প্রায় ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এটিতে অংশ নিতে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী নারী-পুরুষ আবেদন করেছেন। যদিও কাউকেই আর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে না। অর্থাৎ এটি হবে ‘ওয়ানওয়ে’ ভ্রমণ।
• বিস্তারিতঃ http://www.sciencetech24.com/ news/2231#.UXXqtNRWJdQ
• ২০২৩ সাল নাগাদ মঙ্গলে বসবাস উপযোগী একটি মনুষ্য কলোনি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর প্রায় ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এটিতে অংশ নিতে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী নারী-পুরুষ আবেদন করেছেন। যদিও কাউকেই আর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে না। অর্থাৎ এটি হবে ‘ওয়ানওয়ে’ ভ্রমণ।
• বিস্তারিতঃ http://www.sciencetech24.com/

এই গরমে কিডনি
স্টোন থেকে বাঁচবেন কীভাবে?
বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ কিডনি স্টোনের
সমস্যায় কষ্ট পান।
একটা তথ্য জানেন কি? গরমে কিডনি স্টোনের
সমস্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়?
হ্যাঁ, ঠিক এমন তথ্যই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
যারা খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন
এবং সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার সুযোগ
পান না, তাদের মধ্যে কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবহাওয়ার বদলের
সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ৫-৭
ডিগ্রি বেড়ে গেলে কিডনি স্টোনের সমস্যাও ৩০
শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অনেককেই কাজের
প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়
বদলি হতে হয়। সেক্ষেত্রে যারা অপেক্ষাকৃত
ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম অঞ্চলে স্থানান্তরিত হন,
তাদের কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
তাপমাত্রাবৃদ্ধি র সঙ্গে শরীর থেকে ঘামের
মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। তখন যদি পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি না খাওয়া হয় তখন উচ্চমাত্রায়
ইউরিন কনসেনট্রেশন হয়, যা কিডনিতে স্টোন হওয়ার
একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাপমাত্রা বাড়ার
সঙ্গে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন, কিডনিতে স্টোন
হওয়ার এটিও অন্যতম কারণ।
কিডনি স্টোন এড়ানোর জন্যে নয়টি বিশেষ উপায়ের
খোঁজ দিলেন চিফ ইউরোলজিস্ট অভিনন্দন সাদলালগে:
১) সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। অন্তত দুই
লিটার তো নিশ্চয়ই। এছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার
আগেও খানিকটা পানি খেয়ে তবেই শুতে যান।
এতে সারা রাত শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
২) নুন-লেবু-চিনির পানি খান।
৩) নরম পানীয়, আইসড টি, চকোলেট,
স্ট্রবেরি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। এই
সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট
থাকে যা ক্যালশিয়াম অক্সালেট কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৪) ক্যাফেন অথবা কফি যতটা সম্ভব কম খান।
কফি বেশি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।
৫) কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না।
৬) প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৭) অ্যানিমাল প্রোটিন যেমন মাংস, মাছ ও ডিম
যতটা সম্ভব কম খান। এই ধরনের খাবারে প্রচুর
পরিমাণে পিউরাইন থাকে যা খুব তাড়াতাড়ি ইউরিক
অ্যাসিডে ভেঙে যায়।
৮) প্রচুর পরিমাণে স্যালাড খান। শরীর হাইড্রেটেড
থাকবে।
৯) নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন এবং ওজন
নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
সমস্যায় কষ্ট পান।
একটা তথ্য জানেন কি? গরমে কিডনি স্টোনের
সমস্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়?
হ্যাঁ, ঠিক এমন তথ্যই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
যারা খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন
এবং সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার সুযোগ
পান না, তাদের মধ্যে কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবহাওয়ার বদলের
সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ৫-৭
ডিগ্রি বেড়ে গেলে কিডনি স্টোনের সমস্যাও ৩০
শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অনেককেই কাজের
প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়
বদলি হতে হয়। সেক্ষেত্রে যারা অপেক্ষাকৃত
ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম অঞ্চলে স্থানান্তরিত হন,
তাদের কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
তাপমাত্রাবৃদ্ধি র সঙ্গে শরীর থেকে ঘামের
মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। তখন যদি পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি না খাওয়া হয় তখন উচ্চমাত্রায়
ইউরিন কনসেনট্রেশন হয়, যা কিডনিতে স্টোন হওয়ার
একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাপমাত্রা বাড়ার
সঙ্গে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন, কিডনিতে স্টোন
হওয়ার এটিও অন্যতম কারণ।
কিডনি স্টোন এড়ানোর জন্যে নয়টি বিশেষ উপায়ের
খোঁজ দিলেন চিফ ইউরোলজিস্ট অভিনন্দন সাদলালগে:
১) সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। অন্তত দুই
লিটার তো নিশ্চয়ই। এছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার
আগেও খানিকটা পানি খেয়ে তবেই শুতে যান।
এতে সারা রাত শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
২) নুন-লেবু-চিনির পানি খান।
৩) নরম পানীয়, আইসড টি, চকোলেট,
স্ট্রবেরি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। এই
সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট
থাকে যা ক্যালশিয়াম অক্সালেট কিডনি স্টোন হওয়ার
সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৪) ক্যাফেন অথবা কফি যতটা সম্ভব কম খান।
কফি বেশি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।
৫) কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না।
৬) প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৭) অ্যানিমাল প্রোটিন যেমন মাংস, মাছ ও ডিম
যতটা সম্ভব কম খান। এই ধরনের খাবারে প্রচুর
পরিমাণে পিউরাইন থাকে যা খুব তাড়াতাড়ি ইউরিক
অ্যাসিডে ভেঙে যায়।
৮) প্রচুর পরিমাণে স্যালাড খান। শরীর হাইড্রেটেড
থাকবে।
৯) নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন এবং ওজন
নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩
বেলজিয়ামের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের ট্রেনকে!!!
এটি বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞাপন নয়, বিজ্ঞাপনটি বেলজিয়ামের একটি ফার্ণিচার প্রতিষ্ঠানের এবং বিজ্ঞাপনী এজেন্সিও বেলজিয়ামের। আমাদের ট্রেন হয়েছে তাদের মডেল! ... এমন দৃশ্যকে বিজ্ঞাপনে ধারণ করতে হলে বাংলাদেশের ট্রেন ছাড়া উপায় নেই।https://www.facebook.com/TomayaDhareRakhateParini?ref=hl
শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩
তেজপাতা সুগন্ধি মসলা। কাঁচাপাতার রং
সবুজ আর শুকনো পাতার রং বাদামি। এটি শুধু মসলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এর অনেক ঔষধি গুণও আছে।
উপকারিতাঃ
* পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধকরে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেত্বকের
অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।
* ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
* প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গেতেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।
* চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।
* তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।
* যাদের সময় কম তারা তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়েও তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
* সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মেখে গোসল করুন। এতে ময়লা পরিষ্কার হবে।
* তেজপাতা চূর্ণ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যাবে।
নিজে উপকৃত হলে শেয়ার করে প্রোফাইলের বন্ধুদেরকেও জানিয়ে দিতে পারেন।
উপকারিতাঃ
* পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধকরে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেত্বকের
অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।
* ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
* প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গেতেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।
* চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।
* তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।
* যাদের সময় কম তারা তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়েও তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
* সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মেখে গোসল করুন। এতে ময়লা পরিষ্কার হবে।
* তেজপাতা চূর্ণ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যাবে।
নিজে উপকৃত হলে শেয়ার করে প্রোফাইলের বন্ধুদেরকেও জানিয়ে দিতে পারেন।
সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩
Sony has
announced that it managed to come up with a battery powered by paper.
The batteries developed by the Japanese tech giant make use of enzymes in order to break down the glucose found in the cellulose of the paper (which by the way is made of wood pulp fibers).
During an experiment the paper was placed into a mix of water and enzymes. After a couple of minutes the liquid started generating enough power to activate a small fan.After enzymes broke down the paper, they were left with sugar that was produced from cellulose. Then they were able to process the sugar to produce hydrogen ions and electrons. The latter then went through an outer circuit to produce power. Mixed with oxygen in the air, the hydrogen ions were then able to create H2O
The batteries developed by the Japanese tech giant make use of enzymes in order to break down the glucose found in the cellulose of the paper (which by the way is made of wood pulp fibers).
During an experiment the paper was placed into a mix of water and enzymes. After a couple of minutes the liquid started generating enough power to activate a small fan.After enzymes broke down the paper, they were left with sugar that was produced from cellulose. Then they were able to process the sugar to produce hydrogen ions and electrons. The latter then went through an outer circuit to produce power. Mixed with oxygen in the air, the hydrogen ions were then able to create H2O
A Car that Goes 1,000 km in a Litre
Abu Dhabi: A team of engineering students in the UAE have designed a car that could potentially travel up to 1,000 km on just one litre of fuel.
The lightweight vehicle -- named Eco-Dubai 1 -- is in its final stage of construction and will begin testing in the next two weeks.
The product of almost two years of work by students at the Higher Colleges of Technology Dubai Men's College, the vehicle is half a metre wide, two metres long and half a metre high and weighs about 25 kg.
It will enter a race in July against similarly designed cars from around the world, including four other vehicles produced in the UAE.
Ahmad Khamis Al Suwaidi, one of the students behind the car, said: "Petrol is not going to last forever. One day we're going to run out. So in terms of developing a local eco-car industry, it starts with us. We're the future of the UAE in this."
The students will put their creation to the test at Shell's Eco-Marathon to be held July 4-7 in Kuala Lumpur.
The competition is based on designing a car that can travel the farthest on just one litre of fuel.
Students are allowed to use electricity, solar or hybrid technologies to reach their goal.
The record for the longest distance travelled is held by students from France's Polytech Nantes University, who designed a car that travelled almost 4,900 km.
Abu Dhabi: A team of engineering students in the UAE have designed a car that could potentially travel up to 1,000 km on just one litre of fuel.
The lightweight vehicle -- named Eco-Dubai 1 -- is in its final stage of construction and will begin testing in the next two weeks.
The product of almost two years of work by students at the Higher Colleges of Technology Dubai Men's College, the vehicle is half a metre wide, two metres long and half a metre high and weighs about 25 kg.
It will enter a race in July against similarly designed cars from around the world, including four other vehicles produced in the UAE.
Ahmad Khamis Al Suwaidi, one of the students behind the car, said: "Petrol is not going to last forever. One day we're going to run out. So in terms of developing a local eco-car industry, it starts with us. We're the future of the UAE in this."
The students will put their creation to the test at Shell's Eco-Marathon to be held July 4-7 in Kuala Lumpur.
The competition is based on designing a car that can travel the farthest on just one litre of fuel.
Students are allowed to use electricity, solar or hybrid technologies to reach their goal.
The record for the longest distance travelled is held by students from France's Polytech Nantes University, who designed a car that travelled almost 4,900 km.
শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৩
তাইওয়ানের মাছ শিকারিরা এভাবে আলো জ্বালিয়ে মাছকে আকর্ষিত করে এবং ঝাঁকে ঝাঁকে জালে উঠায়!

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৩
কেপলারের গ্রহীয় গতিসূত্র
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্যোতির্বিজ্ঞানে কেপলারের গ্রহীয় গতিসূত্র (ইংরেজি ভাষায়: Kepler's laws of planetary motion) সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে। অবশ্য যেকোন তারার চারপাশে গ্রহের আবর্তন বা আরও সাধারণভাবে যেকোন বস্তুর চারপাশে আরেকটি বস্তুর ঘূর্ণন ব্যাখ্যার কাজে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলার গ্রহের গতির তিনটি সূত্র দিয়েছিলেন:[১]
- প্রতিটি গ্রহের কক্ষপথ একটি উপবৃত্ত সূর্য যার একটি ফোকাসে অবস্থিত।
- সূর্য এবং একটি গ্রহকে সংযোগকারী রেখা গ্রহের আবর্তনের সাথে সাথে সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- একটি গ্রহের কক্ষীয় পর্যায়কালের বর্গ তার কক্ষপথের পরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




