শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২

রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীর মৎস্য জীববৈচিত্র্য: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত

রাজশাহী এলাকার (গোদাগাড়ী থেকে চারঘাট পর্যন্ত) পদ্মা নদীতে রেকর্ডকৃত মৎস্য প্রজাতির সংখ্যা ১৪১টি যার মধ্যে ১৩৬ টি দেশী মাছ এবং অবশিষ্ট ৫টি বিদেশী প্রজাতির মাছ। এত স্বল্প পরিসরে এই বিপুল সংখ্যক মৎস্য প্রজাতি প্রাপ্তির বিষয়টি আমাদেরকে উদ্বেলিত করে। বিশেষত যারা মৎস্য বা প্রাণী বৈচিত্র্য বিষয়ে আগ্রহী তাদেরকে আশাবাদীও করে তোলে। তবে আশংকার কথা হচ্ছে উল্লেখিত ১৩৬ প্রজাতির দেশী মাছের মধ্যে প্রায় ষাট প্রজাতির মাছ বর্তমানে দুষ্প্রাপ্য। অর্থাৎ পদ্মার বৈচিত্র্যময় প্রজাতির একটা বড় অংশ আজ হুমকির মুখে। রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে চারঘাট পর্যন্ত এলাকার পদ্মা নদীতে ১৪১ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার পদ্মা নদীতে মাত্র ৭২ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৫৭ প্রজাতির মাছ দেশীয় ছোট মাছের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে ২০১১ সালের গবেষণায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কাজলা এলাকার পদ্মা নদীতে পাওয়া যায় ৬৭ প্রজাতির মাছ যার মধ্যে ৫ টি বিদেশী প্রজাতিও রয়েছে। বিদেশী প্রজাতির মাছ গুলো হল- সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, স্কেল কার্প ও মিরর কার্প, গ্রাস কার্প, থাইপুঁটি এবং তেলাপিয়া (তালিকা: টেবিল-৫)। ভিন্ন পরিবেশ থেকে আসা এই মাছ আমাদের নদীর বাস্তুতন্ত্রে কী প্রভাব ফেলছে বা ফেলতে পারে তা এখন মৎস্য জীববৈচিত্র্য বিজ্ঞানীদের আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ত্রিশ বছরের বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার পদ্মায় একদিকে দেশী মাছের প্রজাতির সংখ্যা কমছে অন্যদিকে বেড়েছে বিদেশী মাছের উপস্থিতি।

পদ্মা নদীতে অতি বিরল (Very rare) প্রজাতির মাছের প্রজাতির সংখ্যা বর্তমানে ৫৯ টি যা টেবিল-১ এ দেয়া হয়েছে। এই অতি বিরল প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে দুর্লভ অর্থাৎ অতি বিরলতম হচ্ছে- মহাশের (Tor barb, Tor tor), কসা বা কসুতি পুঁটি (Kosuati barb, Oreichthys cosuatis) এবং গুটি বা তিলক পোয়া (Tiger-toothed croaker, Otolithus argenteus)। অন্যদিকে অতি বিরলও নয় আবার সচরাচরও পাওয়া যায় না অর্থাৎ বিরল (Rare) প্রজাতির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ১৩ টি যা টেবিল-২ এ দেয়া হয়েছে। সচরাচর (Comomon) পাওয়া যায় এমন মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬ টি যা টেবিল-৩ এ দেয়া হয়েছে। সচরাচর পাওয়া যায় এমন মাছের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশী পাওয়া যায় (Very comomon) এমন মাছের প্রজাতির সংখ্যা ৩৮ টি (তালিকা: টেবিল-৪)।
টেবিল-১: অতি বিরল দেশী মাছের তালিকা
বাংলা নামইংরেজি নামবৈজ্ঞানিক নাম
কাঁঠাল পাতা, বট পাতা, ডান চোখা সরবতিSole fishSynaptura orientalis (Bloch and Schneider, 1801), Brachirus orientalis
সরবতিLargetooth flounderPseudorhombus arsius (Hamilton 1822)
চাপিলা, খরচনা, পেলনা, ছোটা ইলিশBigeye ilisha Ilisha megaloptera (Swainson, 1839), Ilisha motius (Hamilton)
কাশ চেলা, কাশ খয়রা, ছিপ চেলা, ডানকিনIndian glass barbChela laubuca (Hamilton 1822)
ঘোড়া চেলা, চেলাGora ChelaSecuricula gora (Hamilton 1822), Oxygaster gora (Hamilton 1822)
জয়া, তিলাHamilton’s barilaBarilius bendelisis (Hamilton 1807)
ভোলা, ভোলTrout barbRaiamas bola (Hamilton 1822), Barilius bola (Hamilton 1822)
দারকিনা, দ্রাকিGangetic scissortail rasboraRasbora rasbora (Hamilton 1822)
মহাশেরTor barbTor tor (Hamilton 1822)
অঞ্জুZebra danioDanio rerio (Hamilton 1822)
সিবলীGiant danioDevario aequipinnatus (McClelland, 1839), Danio aequipinnatus (McClelland 1839)
নাপতেDangila danioDanio dangila (Hamilton 1822)
ফুটানি পুঁটি, ফুটুনি পুঁটিSpottedsail barb, Dwarf barb, Phutuni barb, Pygmy barbPuntius phutunio (Hamilton 1822)
কসা পুঁটি, কসুতি পুঁটিKosuati barbOreichthys cosuatis (Hamilton 1822), Puntius cosuatis (Hamilton 1822)
খুদি পুঁটি, গিলি পুঁটি, ডর পুঁটিGolden barbPuntius gelius (Hamilton 1822)
তেরি পুঁটি, গিলি পুঁটিOnespot barbPuntius terio (Hamilton 1822)
অ্যাংরট, খরসাAngra labeoLabeo angra (Hamilton 1822)
কুরসিয়াKalabansSinilabeo dero (Hamilton 1822), Bangana dero (Hamilton, 1822), Labeo dero (Hamilton, 1822)
ঘন্ন্যা, ঘনি, গনি, কুরচি, কুরিয়াKuria labeoLabeo gonius (Hamilton 1822)
নান্দিল, নান্দিনা, নানিদ, সাদা-বাউসNandi LabeoLabeo nandina (Hamilton 1822)
ভাঙ্গন, বোগা ভাঙ্গন, ভাঙ্গন-বাটাBoga labeoLabeo boga (Hamilton 1822)
বাইটকা, লঙউPangusia labeoLabeo pangusia (Hamilton 1822)
মহাশোল, মহাশেরPutitor mahseerTor putitora (Hamilton)
কালাবাটা, টাটকানিGangetic latiaCrossocheilus latius (Hamilton 1822)
রাণী, বেটি, বালা বোটিয়া, বেতাঙ্গীHora-loachBotia dayi Hora 1932
বাঘাReticulate-loach or Y-loachBotia lohachata Chaudhuri 1912
পাঙ্গাCoolie-loachPangio pangia (Hamilton 1822), Acanthophthalmus pangia (Hamilton)
পুইয়াGongota loach, Moosefaced loach, Jaguar loachSomileptes gongota (Hamilton 1822), Somileptus gongota, Canthophrys gongota
বালিচাটা, নোতোয়া, বিলতোরিZipper loachAcanthocobitis botia (Hamilton 1822), Nemachilus botia
মুড়ি বাচা, মোটাসMurius vachaEutropiichthys murius (Hamilton, 1822, Clupisoma murius (Hamilton 1822)
সিংHimalayan olyraOlyra kempi Choudhuri 1912
বিল্লি, সুধলIndian torrent catfish, Biting catfishAmblyceps mangois (Hamilton 1822)
গাং টেংরা, কাওনি, কাওনিয়া, বেলান্ডাMenoda catfishMystus menoda (Hamilton 1822)
নুনা টেংরা, গুলি টেংরা, গুলা, পঞ্চগুলাLong whiskers catfishMystus gulio (Hamilton 1822)
গুড়া টেংরাAsian coryChandramara chandramara (Hamilton, 1822), Leiocassis rama (Hamilton 1822), Rama chandramara (Hamilton 1822)
তিস্তা টেংরা, টেংরাTista batasioBatasio batasio (Hamilton 1822)
আসামী টেংরা, টেংরাAssame batasioBatasio tengara (Hamilton 1822)
গাং টেংরা, হুদ্দাGangetic gagataGagata gagata (Hamilton 1822)
জাংলা, সেনিয়া, গাং টেংরাIndian gagataGagata cenia (Hamilton 1822), Gagata youssoufi Rahman 1976
গাং টেংরাKosi nangraNangra nangra (Hamilton, 1822), Gagata nangra (Hamilton 1822)
সিসোরRabdophorus SisorSisor rabdophorus Hamilton 1822, Sisor rhabdophorus Hamilton 1822
তেলি, তেলচিটাTelchittaGlyptothorax telchitta (Hamilton, 1822), Pimelodus telchitta Hamilton 1822
কুতকুতিGangetic erethistesErethistes pusillus Troschel and Müller 1849
চাকা, চেকা-বেকা, চাগা, ব্যাঙ-সাবা, কটকটিSquarehead catfishChaca chaca (Hamilton 1822)
এক ঠুইটা, এক ঠোটাCongaturi halfbeakHyporhamphus limbatus (Valenciennes 1847), Hyporhamphus gaimardi
চার-চোখা, কানপোনাTop-minnowsAplocheilus panchax (Hamilton 1822)
কেসকি, বাটাBroad-mouthed mullet, Giantscale mulletParamugil parmatus (Cantor 1849), Mugil oligolepis (Bleeker, 1859)
লরিয়া, ছোট-খল্লা, কুচা-খল্লা, কেসকি, বাটাYellowtail mulletSicamugil cascasia (Hamilton 1822)
তিলা-সোল, বাক্কা-লতিBarca snakeheadChanna barca (Hamilton 1822)
কুমিরের খিলFreshwater pipefishIchthyocampus carce (Hamilton 1822)
কুমিরের খিলCrocodile-tooth pipefishMicrophis cuncalus (Hamilton, 1822), Doryichthys chokderi Rahman 1976
কুচিয়া, কুইচা, আধুয়া, কানা বামুচ, হুইচাGangetic mudeel, Mud eel, Rice eel, Swamp eelAmphipnous cuchia (Hamilton 1822)
বানিহারা, বামোশ, বাও বায়েম, বোয়া মাছ, বোয়া বায়েম, তেলকোমাIndian mottled eelAnguilla nebulosa McClelland 1844
কামিলাCommon pike congerMuraenesox bagio (Hamilton 1822)
কামিলাIndian pike congerCongresox talabonoides (Bleeker, 1853), Congresox telabonoides (Bleeker)
নাফতেনী, মধুমালা, নাপতে খয়রা, নাপতে খলিসা, নাপতানীFrail gouramiCtenops nobilis McClelland, 1845
লাল খলিশা, রাঙ্গা খলিশা, বইচাDwarf gouramiColisa lalia (Hamilton 1822), Colisa lalius (Hamilton 1822)
পোয়া, গুটি পোয়া, তিলক পোয়াTiger-toothed croakerOtolithus argenteus Cuvier 1830, Otolithes rubber (Schneider & Bloch 1801)
সবুজ পটকা, পটকাGreen pufferfish, Estuarine blowfishTetraodon fluviatilis Hamilton 1822, Chelonodon fluviatilis (Hamilton 1822)

টেবিল-২: বিরল দেশী মাছের তালিকা
বাংলা নামইংরেজি নামবৈজ্ঞানিক নাম
চাপিলা, খোরিBurmese river shadGudusia variegata, Gadusia variegata (Day)
চেলা, সিপ চেলা, কাশ চেলা, পাতা চেলাSilver hatchet chelaChela cachius (Hamilton), Chela atpar (Hamilton, 1822)
এলং এটাং, সেফালিয়াBengala barbMegarasbora elanga (Hamilton, 1822), Rasbora elanga (Hamilton 1822)
বাঁশপাতা, সিবলি, ধীবারিDind Danio, Bengal danioDanio devario (Hamilton 1822)
কাঞ্চন পুঁটি, ময়না পুঁটি, গোবরা পুঁটিRosy barbPuntius conchonius (Hamilton 1822)
শিলং, সিলং, সিলন্ড, ধাইন, বাচ, বাসাSilond catfishSilonia silondia (Hamilton 1822)
গোলসা, গোলসা টেংরাDay’s mystusMystus bleekeri (Day 1877)
গজার, গজাল, গজরীGreat snakeheadChanna marulius (Hamilton 1822)
চ্যাং, ঘাইরা, গাচুয়া, রাগা, তোলো টাকিWalking snakehead, Asiatic snakehead, Brown snakeheadChanna orientalis Bloch and Schneider 1801, Channa gachua (Hamilton 1822)
চুনা, চুনা খলিশা, খলিশা, বৈচাHoney gourami BadisTrichogaster chuna (Hamilton 1822), Colisa chuna (Hamilton 1822), Colisa sota (Hamilton 1822)
কই বান্দি, নাপিত কই, কালা কই, বোট কই, নাপিতBadisBadis badis (Hamilton, 1822)
পটকা, ছোট পটকা, ফটকা, টেপাOcellated pufferfish Tetraodon cutcutia Hamilton 1822
সাদা পটকা, পটকা, ফটকা, বোগা, কাটা পটকাGangetic pufferfishChelonodon patoca (Hamilton1822), Tetraodon patoca Hammilton 1822

টেবিল-৩: সচরাচর পাওয়া যায় এমন দেশী মাছের তালিকা
বাংলা নামইংরেজি নামবৈজ্ঞানিক নাম
শঙ্খ, শংকু, শংকরTrygon sp.
মামরি, খয়রা, চাপিলা, মুখচুক্কাGanges river gizzard shadGonialosa manminna (Hamilton)
তেলি ফাসা, ফাসাScaly hairfin anchovySetipinna taty (Valenciennes 1848)
ফাল চেলা, চেলিয়া চেলাFinescale razorbelly minnowOxygaster phulo (Hamilton 1822), Salmostoma phulo (Hamilton 1822)
দারকিনা, দারকা, অঞ্জনি, দারিকা, দালকিনা, দধিখাSlender rasbora Rasbora daniconius (Hamilton 1822)
ঢেলা, মওয়া, মোয়া, গুনটা, কোটিCotioOsteobrama cotio (Hamilton 1822), Rohtee cotio (Hamilton 1822)
দারকিনা, দধিকাFlying barbEsomus danricus (Hamilton 1822)
মোহুলা, মোলা, , মোলোঙ্গি, কাগচিIndian CarpletAmblypharyngodon microlepis (Bleeker 1854)
সরপুঁটি, সরলপুঁটি, কারটি, সরনা, সর্ন, সর্নপুঁটি, শরপুঁটিOlive barbPuntius sarana (Hamilton 1822)
চেলা পুঁটিSwamp barbPuntius chola (Hamilton 1811)
মরারিAspidopariaAspidoparia morar (Hamilton 1822)
বাটা, ভাঙ্গন বাটাBata labeoLabeo bata (Hamilton 1822)
পুতুল, রাণী, বউ, বেতাঙ্গী, রতি, বেটিNecktie-loachBotia Dario (1822), Botio dario (Hamilton)
পুই, গুতুম, গুন্টিয়া, পোয়া, পুইয়াGuntea LoachLepidocephalus guntea (Hamilton 1822)
কাঁটা পাতাসি, তিনকাঁটাIndian taakreeProeutropiichthys taakree (Sykes 1839), Clupisoma taakree
বাঁশপাতা, সুতলি, কাজলিGangetic ailiaAilia coila (Hamilton 1822)
শিং, শিংহি, জিওলStinging catfishHeteropneustes fossilis (Bloch 1794)
মাগুর, মইগুর, মোচকুর, যাগুরWalking catfishClarias batrachus (Linnaeus 1758)
কাবাসি টেংরা, ঘুংয়া, পাংGangetic mystusMystus cavasius (Hamilton 1822)
টাকি, লাটা, লাঠা, লাটি, সাইটান, গড়ই, রাকটা, সুতিSpotted snakehead Channa punctata (Bloch 1793)
সোল, শোল, চোল, চেনাStriped snakehead, Banded snakeheadChanna striata (Bloch 1793)
কাঁটা চাঁদা, ফোফা চাঁদা, কাঁটা চান্দা, চান্দাHimalayan glassy perchletPseudambassis baculis (Hamilton 1822), Chanda baculis Hamilton 1822
কইClimbing perchAnabas testudineus (Bloch 1792)
খলিশাGiant gouramiColisa fasciatus (Bloch and Schneider 1801), Colisa fasciata (Schneider & Bloch 1801)
ভেদা, মেনি, রইনাMud perchNandus nandus (Hamilton 1822)
তারা বাইম, গুচি, কোটা বাইমSpiny eelMacrognathus aculeatus (Bloch 1786)

টেবিল-৪: সচরাচর পাওয়া যায় এমন মাছের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশী পাওয়া যায় এমন দেশী মাছের তালিকা
বাংলা নামইংরেজি নামবৈজ্ঞানিক নাম
ইলিশHilshaTenulosa ilisha (Hamilton)
চাপিলা, খরিয়া, গুরি, চাইপলাIndian River ShadGudusia chapra, Gadusia chapra (Hamilton)
কাচকি, কানপোনা, সুবর্ণ-খরিকা, গুরামাছGanges river spratCorica soborna Hamilton
ফলি, ফলই, ফলুই, কানলা, কান-ফলিBronze featherback, Asian KnifefishNotopterus notopterus (Pallas, 1769)
চিতল, চিতলাHumped featherback, The Clown knifeNotopterus chitala (Hamilton)
ফাসা, কাটা ফ্যাসাGangetic hairfin anchovySetipinna phasa (Hamilton 1822)
নারকেলী চেলা, চেলা, কাটারি, বাশপাতিLarge razorbelly minnowOxygaster bacaila (Hamilton 1822), Salmostoma bacaila (Hamilton 1822)
মলা, মোওয়া, মোলোঙ্গি, মোওচি, মোওকা, মোওরালা, মোরারুMola carpletAmblypharyngodon mola (Hamilton 1822)
তিত পুঁটি, তিতা পুঁটিTicto barb, Firefin barb, Tic-tac-toe barb, Two-spot barbPuntius ticto (Hamilton 1822)
জাত পুঁটি, জাতি পুঁটি, জাইত পুঁটি, ভাটি পুঁটি, দেতো পুঁটি, কারিয়া পুঁটিPool barb, Spot-fin swamp barbPuntius sophore (Hamilton 1822), Puntius stigma (Valenciennes, 1844), Puntius chrysopterus (McClelland 1839)
পিউলি, পিয়ালি, পিয়াসী, জয়াJayaAspidoparia jaya (Hamilton 1822)
রুই, রুহিতRoho carpLabeo rohita (Hamilton 1822)
কালিবাউস, বাউস, কালাবাউস, কালাঘোনিয়া, কালিয়া, কালিয়ারাKalbasu carpLabeo culbasu (Hamilton 1822)
কাতলা, কাতলCatla carpCatla catla (Hamilton 1822)
মৃগেল, মিরকা, মিরগা, মৃগেলাMrigal CarpCirrhinus cirrhosus (Bloch, 1795), Cirrhinus mrigala (Hamilton 1822) , Cirrhina mrigala (Hamilton 1822)
রাইকর, রাইখ, খরকি বাটা, বাটাReba carpCirrhinus reba (Hamilton 1822), Cirrhina reba (Day, 1878)
বোয়াল, বোল, বোয়ালি, বইয়ারি, কাইলি, পোইলBoal fishWallago attu (Bloch 1801), Wallagonia attu
পাবদা, পাবি, পাফদা, পালদা, পাপিসPabdah catfishOmpok pabda (Hamilton, 1822)
কানি পাবদা, বোয়ালি পাবদা, পাবদাButter CatfishOmpoc bimaculatus (Bloch 1794)
পাঙ্গাশ, পাঙ্গুস, পাঙ্গুয়াসPangas catfishPangasius pangasius (Hamilton 1822)
ঘাইরা, ঘাউরা, ঘারুসGarua BachchaClupisoma garua (Hamilton)
পাতাসি, বাতাসি, কাঁটা পাতাসি, তিনকাঁটা, বাতাইভা, বাসপাতি, অন্যয়াPotasiPseudeutropius atherinoides (Bloch 1794), Clupisoma atherinoides
বাচা, ভাচাBatchwa vachaEutropiichthys vacha (Hamilton 1822)
বাঁশপাতা, কাজলি, সুতলিJamuna ailiaAiliichthys punctata Day 1872
আইর, আউর, গুজি, গুজি আইরLong-whiskered catfishSperata aor (Hamilton 1822), Mystus aor (Hamilton 1822)
গুইজ্জা, গুইজ্জা আইর, ঘোরো-আইর, তেলিয়া-আইর, গজ-আইরGiant river catfishSperata seenghala (Sykes 1839), Mystus seenghala (Sykes)
টেংরা, বুজুরিTengara mystusMystus tengara (Hamilton 1822)
গুলশা, গুলশা টেংরা, টেংরাStriped Dwarf CatfishMystus vittatus (Bloch 1794)
রিটা, রিডা,Rita catfishRita rita (Hamilton 1822)
বাঘাইর, বাগারGoonchBagarius bagarius (Hamilton 1822)
কাকিলা, কাকিয়া, কাকলে, কাখাস, গাংতুরিFreshwater GarXenentodon cancila (Hamilton 1822)
খরসুলা, উড়াল, খল্লা, হল্লাCorsula mulletRhinomugil corsula (Hamilton 1822), Mugil corsula (Hamilton 1822)
চাঁদা, নামা চাঁদা, চাঁন্দাElongate glass-perchletChanda nama Hamilton 1822
লাল চাঁদা, রাঙ্গা চাঁদা, চাঁদিIndian glassy fish, Indian glass-fishChanda ranga Hamilton
বেলে, বাইলাTank gobyGlossogobius giuris (Hamilton 1822)
ভোলা, পোয়া, পামা, কই ভোলাPama croakerOtolithoides pama (Hamilton 1822), Pama pama (Hamilton 1822)
বাইম, বাম, বানোস, বামসি, গোতিTire track eelMastacembelus armatus (Lacepède 1800)
গুচি, গুচি বাইম, পাকোল, তুরিStriped Spiny EelMastacembelus pancalus (Hamilton 1822)

টেবিল-৫: রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীতে প্রাপ্ত বিদেশী মাছের তালিকা
বাংলা নামইংরেজি নামবৈজ্ঞানিক নাম
বিগহেড কার্পBighead carpAristichthys nobilis (Richardson 1845), Hypophthalmichthys nobilis (Richardson 1845)
স্কেল কার্প, কমন কার্প এবং মিরর কার্পScale Carp, Common Carp and Mirror carpCyprinus carpio var. communis এবং Cyprinus carpio var. specularis
সিলভার কার্প, রুপালী রুই, পুকুরের ইলিশSilver CarpHypophthalmichthys molitrix
থাই পুঁটি, থাই সরপুঁটি, সরপুঁটি, থাই রাজপুঁটি, রাজপুঁটিSilver Barb, Java BarbBarbonymus gonionotusi, Puntius gonionotus
তেলাপিয়াTilapia, Mozambique TilapiaOriochoromis mosambicus

রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীতে মাস-ভিত্তিক মৎস্য প্রাচুর্যতা
রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীতে মাস-ভিত্তিক মৎস্য প্রাচুর্যতা

রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীতে মাস-ভিত্তিক মৎস্য প্রাচুর্যতা:
রাজশাহী এলাকা পদ্মা নদীর পানির গতি-প্রকৃতি প্রাকৃতিক ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবার পরিবর্তে বর্তমানে কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ভারত কর্তৃক নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে। এর ফলশ্রুতিতে সারা বছর পদ্মার পানি প্রবাহ ঢিমেতালে চললেও মে মাসে শেষদিকে পানি বাড়তে থাকে (বৃষ্টির পানি থেকে) তবে জুনের শেষে হঠাৎ করে পানি বেড়ে (ফারাক্কা বাঁধের গেট খুলে দেয়ায়) সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। মাত্র এক মাসের কম সময় এ অবস্থা বিরাজ করে মধ্য জুলাই এ হঠাৎ করে পানি কমে (ফারাক্কা বাঁধের গেট বন্ধ করে দেয়ায়) পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। এর প্রভাব দেখতে পাওয়া যায় জেলেদের জালে মাছ ধরার গতি-প্রকৃতির উপর। পদ্মায় সবচেয়ে কম মাছ ধরা পড়ে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত (পানি কম থাকার জন্য) আর সবচেয়ে বেশী মাছ ধরা পড়ে জুন (নতুন পানি প্রবাহ শুরু হওয়ায়) মাসে। জুলাই মাসে মাছ ধরার পরিমাণ হঠাৎ করে কমে এলেও (মাত্রারিক্ত পানিতে মাছ ধরা পড়ে না বলে) পরের মাস থেকে ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে তা বেড়ে প্রায় জুনের কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছায় (পানি কমে যাবার সাথে সাথে মাছ ধরা পড়ার পরিমাণ বাড়তে থাকে বিধায়)।

সংক্ষেপে বাংলাদেশের স্বাদুপানির ও পদ্মা নদীর মাছের তুলনামূলক বিবরণ নিচে দেয়া হল-
  • পদ্মা নদীতে কন্ড্রিকথিস (Chondrichthyes) শ্রেণীর একমাত্র মাছ হচ্ছে শঙ্খ মাছ (Trygon sp.)। এই শ্রেণীর মাছ কোমলাস্থি (cartilage) বিশিষ্ট, মুখছিদ্র অঙ্কীয় দিকে অবস্থিত এবং ফুলকাছিদ্রের সংখ্যা চারের অধিক যা অস্টিকথিস শ্রেণীর মাছ থেকে এদের আলাদা করেছে। এদের আবাসস্থল বঙ্গোপসাগর হলেও পদ্মা নদীতে অভিপ্রয়াণ করার সময় এরা জেলেদের জালে ধরা পড়ে। উপর-নীচে অতি চ্যাপ্টা বিশালাকৃতি শাপলা পাতার মতো দেখতে এই মাছ ২০০-২৫০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
  • এ নদীতে সোল-ফিসের ((Sole fish) দুটি প্রজাতি পাওয়া যায় যথা- এক. কাঁঠাল পাতা যা বট পাতা বা ডান চোখা সরবতি নামেও পরিচিত এবং দুই. সরবতি। সাধারণ মাছের দুটি চোখ দেহের দুই পাশে অবস্থান করে কিন্তু কাঁঠাল পাতা মাছের উভয় চোখ ডানপাশে অবস্থান করে অন্যদিকে সরবতিতে উভয় চোখ বাঁপাশে অবস্থান করে। এই বৈশিষ্ট্যই মাছদ্বয়কে অন্যান্য মাছ থেকে আলাদা করেছে। Sole fish এর আবাস উপকূলীয় এলাকা হলেও রাজশাহী এলাকার পদ্মা ও এর শাখা নদীতে এই মাছ কদাচিৎ দেখতে পাওয়া যায়। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সাত প্রজাতির Sole fish পাওয়া যায়।
  • বাংলাদেশের স্বাদুপানিতে প্রাপ্ত চার প্রজাতির পাইপ-ফিসের (Pipe fish) মধ্যে দু’টি প্রজাতি পদ্মায় কদাচিৎ পাওয়া যায়। যথা- Freshwater pipefish ও Crocodile-tooth pipefish, উভয় মাছই বাংলায় কুমিরের খিল নামে পরিচিত।
  • বাংলাদেশের স্বাদুপানিতে নয় প্রজাতির ইল (Eel) মাছ দেখতে পাওয়া যায় যার মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় মাত্র চার প্রজাতি যার সবগুলোই অতি বিরল। এর মধ্যে দুটি প্রজাতির কামিলা অতি বিরলতম, অন্য দুই প্রজাতি (বামশ ও কুচিয়া) কদাচিৎ দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বাদুপানির তিন প্রজাতির স্পাইনি ইল (Spiny eel) মাছের সবগুলোই পদ্মায় পাওয়া যায়।
  • স্বাদুপানির তিন প্রজাতির পটকা মাছের (Pufferfish) সবগুলোই পদ্মায় পাওয়া যায় এর মধ্যে সবুজ পটকা (Tetraodon fluviatilis) অতি বিরল হলেও অন্য দুটি পদ্মায় কদাচিৎ পাওয়া যায়।
  • পাঁচ প্রজাতির Gars বা কাঁকিলা জাতীয় মাছের মধ্যে মাত্র দু’টি প্রজাতি পদ্মায় পাওয়া যায়। কাঁকিলা (Xenentodon cancila) সচরাচর পাওয়া গেলেও এক থুইট্টা মাছটি অতি বিরল প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।
  • দুই প্রজাতির মিনোস (Top-minnows) এর মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় একটি যথা- চারচোখা বা কানপোনা (Aplocheilus panchax)।
  • পাঁচ প্রজাতির স্নেকহেড এর (Snakehead) সবগুলো পদ্মায় পাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায় টাকি ও সোল। এছাড়া গজার ও চ্যাং বিরল হলেও কদাচিৎ পাওয়া যায় কিন্তু তিলা-সোল (Channa barca) অতি বিরল প্রকৃতির।
  • স্বাদুপানির মিনোস (Minnows) ও রুই জাতীয় মাছ (Carps) রয়েছে ৪৭ প্রজাতির যার মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় ৩৫ টি প্রজাতি। এর মধ্যে মহাশের, মহাশোল, জয়া, ভোলা, নাপতে, কুরসিয়া, কাশ চেলা, দারকিনা, ঘন্ন্যা, নান্দিল, বাইটকা, কালাবাটা, অঞ্জু, সিবলী, বোগা ভাঙ্গন, অ্যাংরট ও ঘোড়া চেলা অতি বিরল। অতি বিরলের মধ্যে মহাশের অতি বিরলতম এবং মহাশোল, জয়া, ভোলা, নাপতে, কুরসিয়া অতি বিরলতর।
  • দশ প্রজাতির পুঁটির (Barbs) মধ্যে মলা পুঁটি (Puntius guganio) ছাড়া বাকী নয় প্রজাতির পুঁটিই এ নদীতে দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে কসা পুঁটি, তেরি পুঁটি, খুদি পুঁটি ও ফুটানি পুঁটি অতি বিরল। অতি বিরলের মধ্যে কসা পুঁটি অতি বিরলতম।
  • স্বাদুপানির লোচ (Loaches) রয়েছে ১৮ প্রজাতির যার মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় ৭ টি প্রজাতি। প্রাপ্ত লোচের মধ্যে বাঘা, পাঙ্গা, বালিচাটা, রাণী (হরা-লোচ) ও পুঁইয়া অতি বিরল হলেও বাঘা, পঙ্গা ও বালিচাটা অতি বিরলতর।
  • স্বাদু পানিতে বিড়াল-মাছ বা Cat-fish [যাদের মুখের নিকটে বিড়ালের মতো গোঁফ (Barbels) বর্তমান এবং দেহ আঁইশ দ্বারা আবৃত নয়] রয়েছে ৫৫ প্রজাতির যার মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় ৩৬ প্রজাতি। ক্যাট-ফিসের মধ্যে সিং (Olyra kempi), বিল্লি (Amblyceps mangois), টেংরা (Batasio batasio, Batasio tengara, Assame batasio, ), তেলি (Glyptothorax telchitta), মুড়ি বাচা (Eutropiichthys murius), গাং টেংরা (Nangra nangra, Gagata gagata, Mystus menoda), চাকা, জাংলা (Gagata cenia), নুনা টেংরা, গুড়া টেংরা, সিসোর ও কুতকুতি (Erethistes pusillus) অতি বিরল।
  • স্বাদুপানিতে ক্লুপিফরমিস (Clupeiformes) বর্গের ১৮ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় যার মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় ১০টি প্রজাতি। এর মধ্যে ছোটা-ইলিশ (Ilisha megaloptera) অতি বিরল।
  • স্বাদুপানির পাঁচ প্রজাতির মুলেট এর মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় তিনটি প্রজাতি। তার মধ্যে দুটি প্রজাতি যথা কেসকি (Paramugil parmatus) ও লরিয়া (Sicamugil cascasia) অতি বিরল।
  • এক প্রজাতির ক্লাম্বিং পার্চ (Climbing perch) ও চার প্রজাতির গোরামি (Gourami) বা খলিশা পদ্মায় পাওয়া যায় এর মধ্যে লাল খলিশা ও নাফতেনী গোরামি অতি বিরল।
  • দুই প্রজাতির মাড-পার্চ (Mud perch) পদ্মায় পাওয়া গেলেও কই বান্দি (Badis badis) বিরল তবে ভেদা (Nandus nandus) সচরাচর পাওয়া যায়।
  • দুই প্রজাতির ক্রোকার (Croaker fish) এর মধ্যে পামা পোয়া (Otolithoides pama) সর্বদাই পাওয়া গেলেও গুটি বা তিলক পোয়া (Otolithus argenteus) পদ্মার অতি বিরলতম মাছের একটি।
  • তিন প্রজাতির চাঁদা মাছের মধ্যে নামা চাঁদা ও লাল চাঁদা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও কাঁটা চাঁদা (Pseudambassis baculis) তুলনামূলক কম পাওয়া যায়।
  • আইইউসিএন (বাংলাদেশ) কর্তৃক তালিকাভূক্ত ৫৪ প্রজাতির হুমকিগ্রস্ত মাছের (Threatened fishes) মধ্যে পদ্মায় পাওয়া যায় ৪৬ প্রজাতির মাছ।


View Larger Map
গুগল ম্যাপে রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদী দেখানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১২

একটু আপনার পায়ের দিকে তাকান। এখন ছবির সাথে মিলিয়ে দেখুন তো ১, ২ নাকি ৩ কত নাম্বার পায়ের ছবির সাথে আপনার পায়ের আকৃতির মিল আছে। ১ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে আপনার পূর্বপুরুষ আরবীয় জাতি থেকে এসেছিল, ২ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে রোমান জাতি থেকে এসেছিল আর ৩ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে গ্রীক জাতি থেকে এসেছিল। আমি রোমান জাতি থেকে আসছি, আপনার টা কোন জাতি কমেন্টে জানান।
(বিশ্বাস করা যাবে না কেননা বিজ্ঞানের অনেক কিছুই ভুল আছে একমাত্র সঠিক আল্লাহ ভালো জানেন শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য পোস্টি দেয়া
ছবি: একটু আপনার পায়ের দিকে তাকান। এখন ছবির সাথে মিলিয়ে দেখুন তো ১, ২ নাকি ৩ কত নাম্বার পায়ের ছবির সাথে আপনার পায়ের আকৃতির মিল আছে। ১ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে আপনার পূর্বপুরুষ আরবীয় জাতি থেকে এসেছিল, ২ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে রোমান জাতি থেকে এসেছিল আর ৩ নাম্বার এর সাথে মিল থাকলে গ্রীক জাতি থেকে এসেছিল। আমি রোমান জাতি থেকে আসছি, আপনার টা কোন জাতি কমেন্টে জানান।
(বিশ্বাস করা যাবে না কেননা বিজ্ঞানের অনেক কিছুই ভুল আছে একমাত্র সঠিক আল্লাহ ভালো জানেন শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য পোস্টি দেয়া 

Like , comment দিয়ে জানান ঃ

শনিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

"সহজে ওজন কমান"

সুস্থ জীবনযাপনে ওজন এক বিশেষ শত্রু। একবার দেহের ওজন বৃদ্ধি পেলে সহজেই তা কমানো যায় না। আবার যাদের বয়স ৩০-ঊর্ধ্ব, তাদের জন্য বেশ কঠিন কাজ ওজন কমানো। তবে আমরা যদি খাবার গ্রহণে কিছু সতর্কতা মেনে চলি তবেই ওজন কমানো এবং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
-খালি পেটে সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ মধুও এক পিস লেবু দিয়ে খেয়ে নিন।

...
-প্রতিবেলা খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করবেন।

-আঁশ বহুল খাবার বেশি করে খাবেন।

-মাংস বা নদীর মাছের পরিবর্তে সামুদ্রিক মাছ বেছে নিন।

-প্রতিবেলা খাওয়ার পর এক কাপ চা(দুধ, চিনি ছাড়া) পান করুন।

-জুসের পরিবর্তে বেশি করে মৌসুমি টকজাতীয় ফল খাবেন।

-রাত ৮টার পর খাবার না খাওয়াই উচিত।

-রাতে ঘুমের আগে এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ ইসবগুলের ভুসি দিয়েই খেয়ে নিন।

-নিয়মিত ব্যায়াম করুন
দাওয়াত কিংবা ভূরিভোজে
দাওয়াত এড়াতে না পারলে আমরা যা করব তা হল-

-খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করব।

-খাবারে পর্যাপ্ত সালাদ যোগ করব।

-মাংসের চর্বি যতটা সম্ভব বাদ দিয়ে খাব।

-ঘরে ফিরেই এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে পান করব।

-ঠাণ্ডা পানি বা কোনো রকম সফট ড্রিংকস পান করব না।

-দুপুর বা রাতে যে বেলাতে দাওয়াত খাব, সেদিন অন্য বেলায় খুব সামান্য খাবার খাব।

আসুন আমরা স্থূলতাকে ভয় না পেয়ে সহজভাবে একে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। কারণ স্থূলতা বা ওজনাধিক্য থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, হাইপারটেনশন ইত্যাদি রোগ দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির ইচ্ছার সাথে সাথে বন্ধুত্বের পরিবেশও একান্ত কাম্য।
 

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ছবিতে যেই গাড়িটা দেখছেন তার বিশেষত্ব জানেন??
এটি পৃথিবীর একমাত্র গাড়ী যা কোনো সমস্যা হলে নিজে নিজেই ঠিক করে নিতে পারে।। অর্থাৎ এই গাড়ির নিজে নিজে রিপেয়ার করার ক্ষমতা আছে।। শুধু তাই নয়, এই গাড়ি চলন্ত অবস্থায় গাড়ির বডির কালার চেঞ্জ হয়।। গাড়ির মালিক ইচ্ছে মতো ২৩টি রং থেকে যেকোনো রং দিতে পারেন নিজের গাড়িকে।।
এটি AUDI A9 এর একটি কনসেপ্ট কার।। গাড়িটি বিক্রয়ের জন্য নয়
ছবি: *ছবিতে যেই গাড়িটা দেখছেন তার বিশেষত্ব জানেন??
এটি পৃথিবীর একমাত্র গাড়ী যা কোনো সমস্যা হলে নিজে নিজেই ঠিক করে নিতে পারে।। অর্থাৎ এই গাড়ির নিজে নিজে রিপেয়ার করার ক্ষমতা আছে।। শুধু তাই নয়, এই গাড়ি চলন্ত অবস্থায় গাড়ির বডির কালার চেঞ্জ হয়।। গাড়ির মালিক ইচ্ছে মতো ২৩টি রং থেকে যেকোনো রং দিতে পারেন নিজের গাড়িকে।।
এটি AUDI A9 এর একটি কনসেপ্ট কার।। গাড়িটি বিক্রয়ের জন্য নয়।:-(।*  — 

ভাল লাগলে লাইক এবং শেয়ার চাই ।
world one and only white gold car......

It's a Mercedes Benz owned by an Abu Dhabi oil billionaire (naturally).
Featuring the newly developed V10 quad turbo
with 1,600 horsepower and 2800nm of torque
0-100km/h in less than 2secs, 1/4 mile ...
in 6.89 secs
running on biofuel.
That is NOT stainless steel, people; it is WHITE GOLD!

 
 
ছবি: world one and only white gold car......

It's a Mercedes Benz owned by an Abu Dhabi oil billionaire (naturally).
Featuring the newly developed V10 quad turbo
with 1,600 horsepower and 2800nm of torque
0-100km/h in less than 2secs, 1/4 mile in 6.89 secs
running on biofuel.
That is NOT stainless steel, people; it is WHITE GOLD!

<<>>realy brilliant...friend plz like and share our post and give us inspairation for next  post....><
কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।

২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায়
...
...
চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন । চলে যাবে ।

৩.ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।
গ্যারান্টি ।

৪. পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার
কাছে ঝামেলা লাগে? আমি আছি না?
আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঘষে নিন ।ফর্সা হবে, পরিস্কার হবে

৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন। ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।

৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না...
নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই
কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।
তুমি জানবে না কোনদিন কেন কাঁদি আড়ালে আমি.....
তোমার কথা ভেবে.....?

তুমি জানবে না কোনদিন কেন হাসি আড়ালে আমি.....
তুমি সুখে আছো জেনেছি বলে.....?
...

তুমি জানবে না কোনদিন কেন আজও একা আমি.....
তোমায় ভালবাসি বলে.....?

তুমি জানবে না কোনদিন কেন রাত জাগি আমি.....
তুমি পাশে নেই বলে.....?

তুমি জানবে না কোনদিন কেন পথের দিকে চেয়ে থাকি আমি.....
তুমি ফিরে আসবে বলে.....?
 
এই যে শুনো.....
হা তোমাকে বলছি.....
কি হয়েছে তোমার.....?
মন খারাপ , মুখে নেই হাসি , চোখে অশ্রু.....
একবার বল কি হয়েছে.....?
...
বেচবে তোমার কষ্ট গুলো আমার কাছে.....?
সুখের দামে কিনে নিবো , কথা দিচ্ছি heart.....
এতো সুন্দর চেহারা টাকে কেমন মলিন করে রেখেছে squint.....
এই নাও দিয়ে দিলাম আমার প্রাণবন্ত হাসি খানা.....
আজ থেকে এর মালিক তুমি heart.....
চোখের ঐ অশ্রু গুলো দিবে.....??
বিনিময়ে একজোড়া স্বপ্নিল নয়ন দিবো তোমাকে heart.....

কথা দিচ্ছি , কোনও দিন ফেরত চাইবনা heart.....
ফেরতই বা কেমনে চাই.....?
তোমাকে হাসতে দেখলেই তো আমার কষ্ট গুলো ভুলে যাই heart.....
তোমাতে এমন ভাবে আমি মিশে আছি , যে কোনোদিন ভাবতেই পারি না আমরা দু জন দুই আত্মা.....

ভালবাসি শুধুই তোমাকে.....
 
ভালোবাসা যেভাবে দিয়েছিলে
সেভাবে আমার আবার নিয়ে গেলে
কিন্তু আমি একই আছি !
কিছু বদলায়নি..
তোমার ভালোবাসা নিয়ে এখনো আছি
...
থাকব সারাজীবন
রাত এ যখন তোমায় ভেবে কেঁদে উঠি
তখন তোমার ভালবাসার ছোঁয়া থাকে ...
কাঁচের আয়না যেমন ভাঙলে জোড়া হয় না
তেমনি আমার এই কষ্ট...
কখনো শেষ হবে না আর আসবে না তুমি
শুধু দেখে যেও যদি কাঁদে এই মন
আমার জন্য
পাবে আমায় সেই আমি আছি
এখনো তোমার ভালোবাসা নিয়ে অপেক্ষায় ...


 
 
যখন কোন মেয়ে কোন ছেলের জন্য কাঁদে
তার মানে


সে ছেলেটিকে অনেক মিস করে.
...
আর কোন ছেলে যখন কোন মেয়ের জন্য কাঁদে
তার মানে





এই পৃথিবীতে ঐ মেয়েটিকে এই ছেলেটির চেয়ে বেশি ভাল R কেউ বাসে না.......
বিন্দু ,তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে.....
কেন্দ্র হবে তুমি.....
আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত.....

তুলো,তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে.....
...
তুমি হবে নি:সীম দিগন্ত.....
আর আমি হবো দিগন্তরেখা.....

জল,তুমি ছুঁয়ে দিলেই সাগর হবে.....
তুমি হবে জলকণা.....
আর আমি হবো জলাধার.....

হৃদয়,যেখানে তুমি আছো অসীম মমতায়.....
চিরন্তন ভালোবাসায়.....♥♥♥
কারো স্মৃতি বয়ে বেড়ানোর মাঝে যে কতটা কষ্ট তা তুমি জানো না
কারণ তুমি কারো স্মৃতি বুকের মাঝে পুষে রাখনি তাই হয়তো জানো
না , স্মৃতি পুষে রাখাটা কতটা যন্ত্রণা দায়ক । তবে আমি চাই না কেউ
তোমাকে এমন একটা যন্ত্রণা দায়ক স্মৃতি উপহার দিয়ে যাক ,কারণ তুমি
তো এটা সইতে পারবে না । ভাবতে পারো যেই তুমিই আমায় এত বড়
...
কষ্ট দিলে সেই তোমার জন্যই শুভ কামনা করছি ! হ্যাঁ ভালো বাসার মানুষ
তা হারিয়ে গেলেও তার জন্য শুভ কামনা করা যায় কিন্তু তাকে অভিশাপ
দেয়া যায় না । তাই হয়তো আজ আর এক বার বললাম ভালোবাসি না তোমায় , কিন্তু অভিশাপ ও দেই না ভালো থেকো তুমি ,অনেক ভালো থেকো ।
আমিও হয়তো ভালোই আছি
অনেক সময় অসতর্কতাবশত ই-মেইল চলে যায়। জি-মেইল ব্যবহারকারী ইচ্ছে করলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে চাইলে পাঠানো মেইলটি ফিরিয়ে আনতে পারেন। এই সেবাটি পেতে জি-মেইলে settings-এ গিয়ে lab-এ ক্লিক করুন , এখানে Undo Send ট্যাবটি Enable করে সেভ করুন। এখন আবার settings-এ গিয়ে General-এ গিয়ে দেখুন Undo Send নামে একটি অপশন যোগ হয়েছে। সেখানে ১০, ২০ ও ৩০ সেকেন্ড দেওয়া আছে। আপনার যত সেকেন্ড প্রয়োজন সেটি নির্বাচন করে save করুন। এখানে যত সেকেন্ড নির্বাচন করবেন, মেইল তত সেকেন্ড পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারবেন। এবার যখনই মেইল পাঠাবেন, ইনবক্সের ওপরে দেখবেন একটি লেখা আসবে যে মেইল চলে গেছে আপনি কি ফিরিয়ে আনতে চান? যদি মেইলটি ফিরিয়ে আনতে চান Undo-এ ক্লিক করুন। তা হলে আর মেইল যাবে না

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

প্রায় ৪০০০ বছর আগে থেকেই চীনে ওষধ হিসাবে ব্যাবহার করা হচ্ছে সবুজ চা বা গ্রিন টি। সময়ের পরিবর্তনে গ্রিন টির ব্যবহার চীনের বাইরে পুরো বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে।

...
গবেষকরা গ্রিন টি’র মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন অনেক রোগের নিরাময় গুণ। নিয়মিত সবুজ চা পান করলে, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

আমাদের শরীরের জন্য সবুজ চা পানের উপকারিতা:

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়
রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে
উপকারি কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়
সবুজ চা ভাইরাসজনিত ফ্লু রোধ করে বা দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে
বার্ধক্য রোধ করে শরীরকে সুস্থ ও সুন্দর রাখে
ইনফেকশান কার্যকর হওয়ার ঝুঁকি কমায়
কিডনি রোগের জন্য উপকারি
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর
দাঁতক্ষয় এবং পেটের রোগ সারাতে গ্রিন টি কাজ করে।
নিয়মিত পরিমিত সবুজ চা পান করুন। অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক রোগের ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার প্রমানঃ

আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, 'মক্কাবাসী রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে তার নবুওয়াতের নিদর্শন দেখানোর দাবী জানাল । তিনি তাদেরকে চাঁদ দু খণ্ড করে দেখালেন । এমনকি তারা দু খণ্ডের মাঝে হেরা পাহাড়কে দেখতে পেল।"

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'যখন চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয় তখন আমরা নবী (সাঃ) এর সঙ্গে ছিলাম । তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা সাক্ষী থাক । তখন আমরা দেখলাম চাঁদের একটি খণ্ড হেরা পাহাড়ের দিকে চলে গেল ।"
...

{সহীহুল বুখারী হা/৩৮৬৮-৭১ 'চাঁদকে দুই খণ্ড করা' অধ্যায়}

## আপনার প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন ইসলামের শাশ্বত বাণী। হৃদয় থেকে হৃদয় উদ্ভাসিত হোক ঈমানের আলোকচ্ছটায়।
 

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২

সম্প্রতি ফ্রান্সে ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর বাস্কেটবল খেলার পর ৪ ক্যান রেড বুল(এনার্জি ড্রিংকস) খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে ফ্রান্স সরকার সেদেশে রেড বুলকে নিষিদ্ধ করে। ময়নাতদন্ত করে জানা যায়, কিশোরটির মৃত্যুর কারণ হচ্ছে উচ্চরক্তচাপের সঙ্গে এনার্জি ড্রিংকসের উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন মিশে ‘গাডেন এডাল্ট ডেড সিনড্রোম’ থেকে মৃত্যু হয়েছে। তাই জানতে হবে কী আছে এনার্জি ড্রিংকসে? একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দেহে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন যথেষ্ট। একজন নারীর জন্য এ মাত্রা হচ্ছে ৩০০ মিলিগ্রাম। অথচ একটি এনার্জি ড্রিংকের ক্যান খেলেই আপনি পাচ্ছেন ৩৬০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন। এরূপ উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন মৃগীরোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। ক্রমাগত উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন নিতে থাকলে নার্ভাসনেস, বদমেজাজ, পেশির টান, অনিদ্রা, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট এমনকি সন্তান ধারণে জটিলতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

অথচ টেলিভিশনের পর্দায় প্রিয় তারকাদের দিয়ে তৈরি এনার্জি এবং সফট ড্রিংকের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে দর্শকরা মনে করবে, এটি খেলে অনেক শক্তি সঞ্চয় হবে। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল।
সফট ড্রিংক আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কেন ক্ষতিকর? তা একটু দেখলে বোঝা যাবে।

১. সফট ড্রিংকসের ঝাঁঝালো স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় ফসফরিক এসিড। আর এ এসিড এতই ক্ষতিকর এবং শক্তিশালী যে একটু এসিডের মধ্যে একটা নখ ভিজিয়ে রাখা হলে একটা সময়ের পর তা খুজেঁই পাওয়া যাবে না। সেই এসিড আমরা খাচ্ছি সফট ড্রিংকসের মাধ্যমে। এর আরেকটি কাজ হচ্ছে হাড়ের ক্যালসিয়াম ক্ষয় করা।

২. আমরা অনেকেই ফাস্টফুড বা রিচফুড খাওয়ার পর সফট ড্রিংক খাই। ভাবি পেট শান্তি পেল বা খাবার দ্রুত হজম হবে। এটিও একটি মস্ত বড় ভুল। আমাদের পাকস্থলী সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খাবার হজম করে থাকে। আর আমরা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা সফট ড্রিংক বা এনার্জি ড্রিংক খাই। অতএব, যা সংবেদনশীল পাকস্থলীর ক্ষতিই করে।

৩. পানি ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বরফ হয়ে যাবে। কিন্তু সফট ড্রিংক তা হবে না। কারণ সফট ড্রিংকে ব্যবহার করা ইথিলিন গ্লাইকোল। যা আর্সেনিকের মতোই বিষাক্ত।

৪. সফট ড্রিংকের কিডনির ওপর রয়েছে ক্ষতিকর প্রভাব। কেউ যদি এক ঘন্টায় ৪ লিটার কোক বা স্প্রাইট পান করেন, তাহলে কিডনি ফেইলির হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ ভাগ। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন- যারা প্রচুর পরিমাণে সফট ড্রিংক পান করেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

৫. ধরুন, আপনি একটি জাদু দেখাতে চান। আপনার সাদা দাঁত হলুদ করে ফেলবেন। তেমন কঠিন কাজ নয়। একঢোক সফট ড্রিংক মুখে নিয়ে একঘন্টা রেখে দিন। দাঁত হলুদ হয়ে যাবে। কারণ সফট ড্রিংক দাতেঁর এনামেল ক্ষয় করে।

৬. ২০০৪ সাল থেকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ছত্তিশগড় রাজ্যে কৃষকরা কোকাকোলাকে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। এতে তারা ভালো ফলাফলও পাচ্ছে। তাই বোঝা যাচ্ছে সফট ড্রিংক কীটনাশকের মতোই ক্ষতিকর।

৭. সফট ড্রিংকের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এটি আমাদের নাক, গলা এবং শ্বাসতন্ত্রের শুরুর দিকের অংশে থাকা সিলিয়াগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ এ সিলিয়াগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে যে ধূলিকণা, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস গ্রহণ করি, তা শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। সফট ড্রিংক খেলে এই সিলিয়াগুলো নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শুরু হয় টনসিলাইটিস, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়ার মতো শ্বাসজনিত রোগ।

তাই সচেতন মানুষ হিসেবে আসুন সফট ড্রিংক বা এনার্জি ড্রিংক বর্জন করি। স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করি। আর্থিক অপচয় রোধ করি
 

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

আল্লাহ মানুষকে এক পর্যায় পর্যন্ত ছাড় দিয়ে রাখেন এবং আল্লাহর পাকড়াও যখন আসে তখন কেউ রক্ষা করতে পারে না --

"যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করি অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন সে জনগোষ্টীর উপর আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই।"[সূরা বনী ইসরাঈল -১৬]
 

রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

যখন বিজলি চমকায় তখন সেখানে কতো ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় জানেন?
প্রায় ১ বিলিয়ন ভোল্ট! আর তাতে যেই তাপ উৎপন্ন হয় তা সূর্যের চেয়েও ৫ গুণ বেশি!

█≡► তথ্যটি ভালো লাগলে "লাইক" দিতে ভুলবেন না।
আল্লাহর অশেষ কুদরতে শূন্যে ভাসে যে পাথর ]

এটি এমন এক পাথর যেটি শূন্যে ভাসে ।অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ।অতি প্রাচীন এই পাথরটি অবস্থিত সৌদিআরবের Al-Hassa গ্রামে। জানা যায় ,এই পাথরটি বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাটি থেকে ১১ সে:মি: শূন্যে ভেসে থাকে। ১...
৯৮৯ সালে একজন একজন মুজাহিদকে নিষ্ঠুরভাবে পাথরের উপর গুলি করে মারা হয় । সেই ঘটনাটি ছিল এপ্রিল মাসের। এরপর
থেকেই প্রতি বছর এপ্রিল মাসের নির্দিষ্ট এই দিনে পাথরটি আধা ঘন্টা মাটির উপর ভাসমান হয়ে থাকে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো,যখন পাথর শূন্যে ভাসে তখন পাথরটিতে লেগে থাকা রক্ত তাজা/ভেজা দেখা যায় এবং উজ্জ্বল হয়ে গাঢ় বর্ন ধারন করে। স্হানীয়রা পাথরে লেগে থাকা এই রক্ত মোছার অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু পরবর্তীতে আবারও পাথরের গায়ে রক্ত দেখা যায়।
সুবাহানআল্লাহ !

→ মহান আল্লাহর অশেষ কুদরতের এমন ছবি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।
আরো দেখুন
 
অদ্ভুত এক মাছ •|•

এই মাছ জন্মের সময় পুরুষ হয়ে জন্মায় এবং তারা তাদের সেক্স পরিবর্তন করতে পারে এবং স্ত্রী হতে পারে। এরা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে এবং দলের নেতৃত্বে থাকে একজন স্ত্রী মাছ। ঐই স্ত্রী মাছ মারা গেলে অন্য একটি প্রজননক্ষম পুরুষ তার...
সেক্স
পরিবর্তন করে স্ত্রীতে রূপান্তরিত হয়ে যায় ও ডিম পেরে বংশ টিকিয়ে রাখে।
কমলা রঙের শরীরের উপর সাদা সাদা ডোরার অত্যন্ত সুন্দর এই মাছটির নাম ক্লাউন ফিস । প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগরে দ্বীপের কাছাকাছি কোরাল এলাকায় বসবাস করে।

[ নতুন কিছু জানতে পারলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।
 
 
এ পৃথিবীতে কত বিচিত্র রকমের যে গাছ রয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। তবে গাছের মধ্যে মানুষের মুখ, এমন
কথা শুনলে রীতিমতো চোখ কপালে ওঠারই কথা। সত্যিই তাই।
বিস্ময়কর এমন ঘটনাটি ঘটেছে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের এ...
কটি গ্রামে। সেখানে এমন একটি সুপারি গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার কাণ্ডের মধ্যে একটি কন্দে অর্থাৎ স্টম্ফীত অংশে মানুষের মুখের আকৃতির ছবি রয়েছে। গাছের মধ্যে মানুষের মুখ! কথাটি শুনে ওই অঞ্চলের মানুষ এটিকে অলৌকিক ব্যাপার ভেবে সবাই দলবেঁধে ছুটে যাচ্ছেন গাছটি দেখার জন্য।
সুপারি গাছের কন্দটি অবিকল মানুষের মুখের মতো।
এতে দুটি চোখ, মানুষের নাকের আকৃতির লম্বা নাক ও ভ্রু এবং দুটি ঠোঁট রয়েছে। শুনে আরও বিস্মিত হতে হয় যে, গ্রামবাসী গাছটিতে মানুষের মুখাকৃতির এই অংশে ভ্রু নাড়াচাড়াও করতে দেখেছেন। সত্যিই শরীর কেঁপে ওঠার মতো ব্যাপার যেন এটি!
শুধু তাই নয়, সেই ভ্রু ও নাক প্রতিদিনই আবার একটু একটু করে পরিপুষ্টও হচ্ছে। অনেকেই এই গাছটিকে 'ভূতের গাছ' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এলাকাবাসীর একজন বলেছেন, গাছটির কাণ্ডের দিকে প্রথমে যে কন্দটি দেখা যায়, সেটিতেই পরে আস্তে আস্তে মানুষের মুখের আকৃতি ফুটে উঠেছে! গ্রামের আরেক গৃহবধু বলেছেন যে, 'গাছটির কন্দে প্রথমবার মানুষের মুখের আকৃতি দেখেই আমি খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এটা দেখতে অবিকল মানুষের মুখের মতো।' এই বিস্ময়কর সুপারি গাছটির মালিকের নাম হলো মিয়া মজিদ। বর্তমানে এই গাছের বয়স বারো বছরেরও বেশি।
গাছের মালিক বলেন, এই ঘটনার অনেক আগে আরেকবার এই গাছটিতে চোখের আকৃতির কন্দ উঠেছিল। এলাকার হাজার হাজার মানুষ এখনও হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন এক নজরে শরীর কাঁপানো এই 'ভূত গাছ' দেখার জন্য।
আরো দেখুন

সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

সকলের জন্য একটি সতর্কীকরণ
বিজ্ঞপ্তিঃ-
*************** ************
সাবধান হন এখনি।
.
...
.
.
.
আপনিও হতে পারেন সিম ক্লোনের
শিকার। হাঁ ভয়ানক এই
তথ্যটি জানতে পারি একুশে টিভির
একবন্ধুর মাধ্যমে।
পরে বিষয়টি সম্পর্কে আরওস্পষ্ট
ধারনা পেতে একুশে টি ভির নিউজ
দেখে শিওর হলাম মাত্র।
১- সিম ক্লোন কি?
একটি সিম যেটি আপনি ব্যবহার করছেন
সেই সিম টি যদি অন্য কেউ ব্যবহার
করে কিংবা এক নাম্বার যদি দেখেন এক
সাথে দুইজন ব্যবহার করে কিংবা হঠাৎ
করে যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের
কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স কোন
কারন ছাড়া কমে যাচ্ছে তবে আপনিসিম
ক্লোনের শিকার।
...
২- কিভাবে শিকার হবেন সিম ক্লোনের?
আপনি যদি অপরিচিত কোন নাম্বার
থেকে মিসড কল পান
এবং সেটাতে যদিকল ব্যাক করেন
তবে আপনি সিম ক্লোনিংএর
শিকারে পরিনত হতে পারেন।
দুষ্কৃতকারীরাবি শেষ
একটি সফটওয়্যার এরমাধ্যমে আপনার
নাম্বার টিক্লোনিং করে। অর্থাৎ
আপনিযখন মিসড কল নাম্বারে কল ব্যাক
করবেন তখন একটি সফটওয়্যার এর
মাধ্যমে আপনার নাম্বার টি ক্লোন
হতে পারে। সিম ক্লোনিং হলেআপনার
সিমে রাখা ডাটা ক্লোন
নাম্বারে চলে যাবে।এবং আপনার
প্রাইভেসিক্ষুণ্ ণ হবে।
৩- যে সমস্যায় আপনি পড়তেপারেন সিম
ক্লোনিং হয়ে গেলে?
সাধারনত
জঙ্গি কিংবা দুষ্কৃতিকারীরা আপনার
নাম্বার টি ব্যবহার করে আপনার জীবন
বিপন্ন করতে পারে। অর্থাৎ ওই নাম্বার
দিয়ে কেউ কাউকে মৃত্যুর হুমকি,
চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গি কানেকশন
করলে আপাত দায়ভার আপনার উপর
বর্তাবে। কাজেই আপনি আইন
শৃঙ্খলা বাহিনীরহাতে ধৃতহবেন।
পরবর্তীতে আরও নানাবিধ সমস্যায়
পড়তে পারেন।
লক্ষ্য করুন-----------
* ভারতে সম্প্রতি এক লাখ সিম ও রিম
কার্ড ক্লোনিং হয়েছে। সেখানকার
গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক অবস্থায়
রয়েছে। ভারতের
গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে ওই
ক্লোনিং সিমবা রিমের মাধ্যমে অনেক
অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
* বাংলাদেশে এখনও সিম
ক্লোনিং হয়েছে বলে ৬ টি মোবাইল
অপারেটরের হাতে এমন কোন তথ্য নেই।
তবে বাংলাদেশের
গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে যে কোন
সময় এমন অনাকাংখিত
ঘটনা ঘটতে পারে। সতর্ক হবেন
যেভাবে-
* অপরিচিত নাম্বার থেকে মিসড কল
এলে আপনি কল ব্যাককরার
পূর্বে ভালো করে চিহ্নিত করবার
চেষ্টা করুন যে এটি কার নাম্বার।
অথবা কল ব্যাক করা বন্ধ করুন।
* মনে রাখবেন সিম
ক্লোনিং হতে হলে মিসড কল আসবে।
ডাইরেক্ট রিং হলে সেটি রিসিভ
করলে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকার
হবেন না।মিসড কল এলেই সতর্ক হন।
* যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের
ব্যালান্স
অকারণে কমে যাচ্ছে সাথে সাথে কল
সেন্টারে ফোন করে জানান।
* আপনার সেল ফোন টি এখনি বন্ধ
করে অন্য একটি নাম্বার থেকে আপনার
নাম্বারে ফোন দিন। দেখুন রিং হয়
কিনা। রিং হলে আপনি সিম ক্লোনিং এর
শিকার।
............... ............... ............... ...............
......
সকলে সতর্ক হন।
অন্যকে বিষয়টি জানান।

বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১২

আমি আমার মনে অন্য কাওকে বসাই নি
কারণ জায়গাটা আমি তোমাকে দিয়েছিলাম..

আমি আমার নামের সাথে অন্য কারো নাম দেখতে চাই নি
শুধু তোমার নামটা দেখতে চেয়েছিলাম...
...

আমি অন্য কাওকে ভালোবাসি নি
শুধু তোমাকেই ভালোবেসেছিলাম.....:'( :'(
আরো দেখুন
আমাকে তোমার মনে পড়বেই!
কতটা ভালবেসেছিলাম, হয়তো খোজ নিতে পার নি ?
তবে যেদিন কেউ তোমাকে কষ্ট দিবে সেদিন এই মানুষটার ভালবাসা কতটা গভীর ছিল তা বুঝতে পারবে!! :(:(
প্রতিরাত ভাবি বৃষ্টি হবে...
ভিজবো আমি তোমায় নিয়ে
কিন্তু বর্ষা শেষে শরত আসে
ভিজা হয়না তোমায় নিয়ে
তাই ক্লান্ত মনে উদাস হয়ে
বসে থাকি তোমায় পথ চেয়ে.....
যখনই পড়তে বসছি আর ঠিক তখনই আমার জানালার ফাক দিয়ে চাদটা বারবার উকি দিয়ে যাচ্ছে,কি করে যে চাদটাকে বোঝাই আমি এখন আর কবিতা লিখি না,কাব্যও লিখিনা,ওসব তো বহু আগেই ছেড়ে দিয়েছি যেদিন সে সব মায়া ছেড়ে আমার কাছে থেকে দূরে বহুদূরে হারিয়ে গেল ঠিক সেদিন থেকে.............না না আমার কোন খোলা চিঠিও নেই তার উদ্দেশ্যে,সত্যি বলছি এখন চোখের অশ্রুগুলোও কেমন বেঈমানী করে আমার সঙ্গে,অবশ্য অশ্রুগুলোকেও এখন আর দোষ দেই না,তাকেই বা দোষ কি লাভ?সবাই যখন একে একে ছেড়ে যাচ্ছে তখন সেই বা কেন শুধু শুধু নিঃসঙ্গ হয়ে আমার পাশে পড়ে থাকবে???তাই আজ আবার চিত্‍কার করে বলতে ইচ্ছা করছে "কি পেলাম তোমায় ভালবেসে???"


 collected
 
রোদেলা, আমার বউ। কাকতালীয় ভাবে আমার নামের সাথে অনেকটা মিলে গেল। আমার নাম রুদ্র। কপাল গুণে এমন একটা বউ পেয়েছি। বউ আমার খুবই ভালো। স্বামী ছাড়া কিছুই বুঝেনা। এমন বউ ক'জনের ভাগ্যে আছে??

বিয়ের কয়দিন পর বউকে নিয়ে হানিমুন করে এলাম। তাও আবার বাংলাদেশে নয়। থাইল্যান্ডের পাতায়া থেকে। বুঝেন এবার ঠেলা কত! বিয়ের পর সারাদিন বউ এর সাথে থাকতে মন চায়। সারাদিন বউ এর সাথে
...
গল্প করি। আমাদের ছেলে মেয়ের নাম কি হবে এই নিয়ে আমার আর তার মধ্যে চলে তুমুল যুদ্ধ। আমি বলি ছেলের নাম হবে "রুপক" আর মেয়ের নাম হবে "রুহি"। কিন্তু বউ আমার কিছুতেই আমার সাথে একমত না। সে ছেলের নাম রাখতে চায় "নীল" আর মেয়ের নাম রাখতে চায় "নিতু"।

বউ আবার বড়ই অভিমানী। একটুতেই অভিমান করে। একদিন আমার মোবাইলে রং নাম্বার থেকে একটা কল আসে। আমি ছিলাম বাইরে। বাসায় আসতেই বউ আমার গোমড়া মুখ করে বসে আছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয়না। অনেক্ষণ চেষ্টা করার পর জানতে পারলাম যে আমার কাছে নাকি কোন মেয়ে ফোন করেছিল। মেয়েটি নাকি বলেছে সে আমার পুরাতন প্রেমিকা। এই কথা শুনার পর বউ আমার কেঁদে কেটে একাকার। আমি কল লিস্ট চেক করে দেখলাম যে নাম্বারটা আমার এক কাজিন এর। অনেক বোঝানোর পর সে কিছুটা শান্ত হলো। রাতে সে আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে। তার এলোমেলো চুলের গন্ধে আমি পাগল হয়ে গেলাম। তখন আমি বলতে লাগলাম.....চুল তার কবে কার অন্ধকার........ পুরোটা শেষ করতে পারলাম না। পিঠের উপর কারও হাতের স্পর্শে জেগে উঠলাম। দেখি আমার আম্মু আমার পাশে বসে আছে।

-"কিরে ঘুমের মধ্যে কিসব আবোল তাবোল বকছিস ??"
তখন আমি বুঝতে পারলাম যে স্বপ্নের মধ্যেই এতক্ষণ ছিলাম। কত মধুরই না ছিল স্বপ্নটা। বাস্তবে কি এমন কখনো হবে ??
 collected
আরো দেখুন
যখন কষ্ট পাই,
চোখ বন্ধ করে অতীত সৃতি হাতড়ে বেড়াই [♥]
মন ভাল হয়ে যায় [♥]

যখন কান্না আসে,
...
মনের ভেতর থেকে কে যেন ফিস ফিসিয়ে বলে ...
তুমি নাকি আসবে ফিরে [♥]

অপেক্ষায় রইলাম :(
আরো দেখুন
আমিতো কখনও স্বপ্ন দেখতাম না, তুমি আমায় স্বপ্ন দেখা শিখিয়েছ।
আমিতো কখনও গোছানো ছিলাম না, তুমিই আমার জীবনটা গুছিয়ে দিয়েছ।

আজ তুমি নেই কে আমায় স্বপ্ন দেখাবে ?
কে আমায় গুছিয়ে দিবে ?
বিষন্ন মনে
ভাবছি তোমায়,
প্রতিনিয়ত......
শুনছি গান
তোমায় ভেবে.....
...
দমকা বাতাসে কাদঁছি একা....
হাটঁছি আনমনে
বৃষ্টিতে.....

শরীরে ক্লান্তি,
মনে হতাশা,
বিষন্ন চারপাশ।।

নিঃস্তব্ধ নগরী,
অন্ধকার রজনী,
বিস্তৃত কালো আকাশ।।

কিছু কথা,
হয় নি বলা।
থেকে যায়,
মনের কোনে।।

কিছু আশা,
আছে সবার।
কিছু কষ্ট,
আসে ফিরে।
বারবার।।

কষ্টে ডুবে মন,
হতাশা,ক্লান্তি,কান্না
এসব নিয়েই,
আমার একলা জীবন।।

 
আরো দেখুন
বাড়িয়ে দাও তোমার হাত
আমি আবার তোমার আঙ্গুল ধরতে চাই।
বাড়িয়ে দাও তোমার হাত
আমি আবর তোমার পাশে হাঁটতে চাই।
আমি আমার মনে অন্য কাওকে বসাই নি
কারণ জায়গাটা আমি তোমাকে দিয়েছিলাম..

আমি আমার নামের সাথে অন্য কারো নাম দেখতে চাই নি
শুধু তোমার নামটা দেখতে চেয়েছিলাম...
...

আমি অন্য কাওকে ভালোবাসি নি
শুধু তোমাকেই ভালোবেসেছিলাম.....:'( :'(
আরো দেখুন
২০১২ এবং ইসলাম তথা ১৪৩৩ আরো কিছু অজানা তথ্য অংশ ১ :

ইসলাম যেখানে একঈশ্বর এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সত্যতাতে বিশ্বাস করতে হয় সেখানে বস্তুবাদ কিংবা ত্রিতত্ত্ববাদ (Trinity) কিংবা বহুঈশ্বরবা
দ এর কোনো স্থান নেই | নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান |

আমি এখানে আগে মায়ান এবং বর্তমান সম্পর্কে কিছু বলব. তা না হলে ২০১২ নিয়ে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যাবে না |

পৃথিবীতে বরফ যুগের ম্যামোথ থেকে শুরু করে ডাইনোসোর এরা প্রত্যেকেই ধ্বংস হয়েছে . পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থায়ী নয় এমনকি --- আমরাও না .
২০১২ নিয়ে আমরা অনেকেই কমবেশ জানি | অনেকেই জানি সুপার হিট ফীল্ম 2012 এর কথা | কিন্তু এই ফীল্মও ২০১২ এর সতর্ক বাণী স্বরূপই তৈরী করা হয়েছিল যা কিনা পরে মুভী ইন্ড্রাস্ট্রিতে ফীল্ম হিসেবেই প্রকাশ পায় | 2012 এর তৈরির পিছনে মায়ান ক্যালেন্ডার এর ভূমিকা ছিল | মায়ান ক্যালেন্ডারে ২০১২ এর পর আর ২০১৩ আসে নি, তারা আবার ১, ২, ৩ এভাবে গুনে গিয়েছে | তারা ২০১২ এ বিশাল ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে যাতে কিনা সভ্যতার ধ্বংস হবে এবং নতুন সভ্যতার উত্থান হবে | অনেকেই বলেন ২০১২ তে নাকি পৃথিবী ধ্বংস হবে. এটা একটা ভুল ধারনা | ২০১২ তে যদি কিছু হয় তাহলে বড় রকমের বিপর্যয় হতে পারে (আল্লাহ ভালো জানেন) যার ফলে পৃথিবীর ৯০% মানুষই মারা যাবে . মায়ানরা যেটা দেখেছিল তা ছিল একটি গ্রহ | তারা দেখেছিল এই বিশাল গ্রহটি তাদেরকে আচ্ছাদিত করছে. এর তুমুল গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স এর প্রভাবে সুনামি আঘাত হানার ফলে ওদের সভ্যতা ধ্বংস হল | তাই তারা এই গ্রহটির নাম দিয়েছিল নিবিরু(Nibiru) বা ধ্বংসকারী. খুব ছোট অংকের মাধ্যমে তারা গ্রহের আসা যাওয়ার গণনা করতে পারত | ওরা এতটাই উন্নত ছিল যে ওরা জানত পৃথিবীর কক্ষপথ অনেকটা গোলাকার | তারা আরো জানত পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে ৩৬৫ দিন লাগে যা আমরা কয়েক শতক আগেও জানতাম না | ওদের মধ্যে যে কেউ ভবিষ্যত গণনা করতে পারত | স্বল্প সংখ্যক যারা বেচেছিল তারাই তাদের ভবিষ্যত গণনা করে বলেছিল এই নিবিরু আবার ২০১২ তে আসবে যার ফলে ভয়াবহ দুরঅবস্থার দেখা দিবে | অনেকে ধারনা করেন এই আদিম মায়ানরাই হল কুরআন এ বর্নিত নুহ নবীর উম্মত যাদেরকে আল্লাহ মহাপ্লাবন দ্বারা ধ্বংস করেছিলেন | যাই হোক এ নিয়ে বলতে শুরু করলে সারা দিন লেগে যাবে.
এখন আধুনিক সভ্যতার প্লানেট এক্স আবিষ্কার এবং নাসা আমেরিকা ইউরোপ এর ষড়যন্ত্রের কথা বলব. প্ল্যানেট এক্স (নিবিরু) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ১৯৮৩ এর গোড়ার দিকে সৌর সিস্টেম এর বাহির এর দিকে আবিষ্কার করে | ১৯৮৩ সালে নাসার ইরাস (IRAS-ইনফ্রা অ্যাস্ট্রোনমিকাল উপগ্রহ) সৌরজগত এর শেষ দিকে বৃহষ্পতি এর মত বড় কিছুর উপস্থিতির কথা বলে | যা ১৯৮৩ এর টাইমস পত্রিকায় উল্লেখ করা হয় |

লিংক : http://3.bp.blogspot.com/-xXP7Jh9SWhs/TsvmP3a3CkI/AAAAAAAAACU/abJw_t6xuFM/s1600/Clues+Get+warm+in+the+search+of+planet+x+%2528real+photo+1+from+NY+times+30-01-1983%2529.gif


সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জোসেফ ব্র্যাডি আবিষ্কার করেন কোনো অপরিচিত গ্রহ (প্ল্যানেট এক্স) হ্যালির ধুমকেতুর কক্ষপথের মহাকর্ষিক সমস্যার কারণ | জোতির্বিজ্ঞানিদের গাণিতিক হিসাব এটা প্রমান করে যে, এই অপরিচিত গ্রহের ভর পৃথিবীর ৫ গুণ বেশি | এ সম্পর্কে মহাকাশ বিজ্ঞানী যেচারিয়া সিচিন (Zecharia Sitchin) এর একটি বক্তব্য না বললেই নয় ১৯৭৮ সালে তিনি বলেন, “আমাদের সৌরজগতে ৯টি গ্রহ নয় যা সর্বজন কর্তৃক গৃহীত বরং ১০ টি গ্রহ |”

এই বিশাল বস্তর কারণেই যে প্লুটো এর অরবিট পরিবর্তিত হয় এবং প্লুটো তার গ্রহের মর্যাদা হারায় পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা তা কোনো অজানা কারণে আংশিক প্রকাশ করেন | (বর্তমানে প্লুটোকে Kuiper belt এর অংশ বলা হয়) অনেকে একে বাদামী তারা বলেছেন অনেকে বলেছেন ব্যর্থ তারা | অনেকে বলেছেন ধুমকেতু | অনেকে বলেছেন ১০তম গ্রহ অনেকে ১২তম গ্রহ | তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হল এর ভর বৃহষ্পতির চেয়েও বেশী | এর অরবিটও অন্য ধরনের | এর এক অরবিট সম্পন্ন হয় প্রায় তিন হাজার ছয়শ বছর এ | যদি এর আমাদের আরো তিন হাজার ছয়শ বছর আগে নুহ (আঃ) এসে থাকেন তাহলে এর পরের বার পৃথিবী ভ্রমন অতি নিকটেই | আমি আবারো বলছি যে এটি এর আগেও কখনো পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ করে নি এই বার আসলেও করবে না | এর তুমুল গ্র্যাভিটির কারণেই পৃথিবীর নর্থ পোল আর সাউথ পোল ঘুরে যাবে ফলে সুর্য পশ্চিম দিকে উঠবে যা ইসলাম আমাদের ১৪০০ বছর আগেই বলে দিয়েছে | এর ফলে পৃথিবীর ৯০% মানুষ মারা যাবে বলে ধারণা করা হয় (আল্লাহই ভালো জানেন) | নর্থ পোল সাউথ পোল ইতিমধ্যে সরতে শুরু করেছে | ২০০৪ সালে সূর্যে বেশ কয়েকটি সৌরকলঙ্ক(Dark Spot) সৃষ্টি হয় এর ফলে যে সৌরঝড় (Sun Storm) এবং যে পরিমাণ রেডিয়েশন হয়েছিল তা আমাদের ম্যাগনেটিক পোলগুলো সহ্য করতে পারে নি | আর ঐ দিন পৃথিবীর সুমাত্রাতে ৯.২ রিকটার স্কেলের ভয়াবহ ভূমিকম্পসহ ভয়াবহ কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছিল, ঐ দিন ইন্দোনেশিয়াতে সুনামি হয়েছিল | এ থেকে বুঝা যায় সৌরকলঙ্কের সাথে পৃথিবীর ভূমিকম্পের সম্পর্ক রয়েছে | এই রেডিয়েশন আমাদের মাটির অভ্যন্তরের আন্দোলনকে সক্রিয় করে |

আসছে ২০১২ সবচেয়ে বেশি সৌরঝড় এর বছর |

এখন আমি আমেরিকার নাসার এবং ইউরোপ এর ষড়যন্ত্রের কথা বলব |

প্ল্যানেট এক্স আবিষ্কার এর পর নাসা ও ইসা(ESA- European Space Agency) প্রথমে নিবিরু এর সত্যিকারের ছবি প্রকাশ করলেও তারা এখন এ ব্যাপারে নিশ্চুপ |
এখন গুগল স্কাই এ নিবিরু তথা প্ল্যানেট এক্স এর অবস্থান কালো অংশ দিয়ে ঢাকা| যে কেউ দেখলে বুঝবে এখানে কিছু ছিল যা তারা দেখতে দিচ্ছেনা | কেউ কি ভেবে দেখছেন ওরা কী লুকাতে চাচ্ছে ? ওরা এটা ভাবছে যে এটা জানালে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে কিন্তু ওরা না জানিয়ে আরো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে |

এখন আমেরিকা এবং বিভিন্ন এলাকার গোপন বাজেট এর কথা বলি | আমেরিকা তাদের অনেক নিরাপদ জায়গায় আন্ডারগ্রাউন্ড বেস (যার সংখ্যা আনুমানিক ভাবে ১৩২ এর চেয়েও বেশী) বানাচ্ছে | নিরাপদ এই কারণে বললাম কারণ এই সকল এলাকায় ভূমিকম্প বা যেকোনো দূর্যোগ মুক্ত বলে তাদের ধারনা | (কিন্তু এখন এসব এলাকাতেও ভূমিকম্প হতে পারে) যেটি একটি গোপন প্রযেক্ট | এমনকি আমেরিকান মানুষদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার নেই | এর নাম হলো ডামবস প্রযেক্ট (D.U.M.Bs.- Deep Underground Military Bases)| এই বেস গুলোতে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার মজুদ রাখা সহ সেখানে বৈজ্ঞানিক ভাবে মাটির নিচে খাবার উত্পাদন করার ব্যবস্থা করেছে | এটি একটি সম্মিলিত প্রযেক্ট | বিভিন্ন উন্নত দেশ এর সাথে গোপন ভাবে যুক্ত | রাশিয়া-আমেরিকা চিরন্তন শত্রু হওয়া সত্ত্বেও ওরাও এটার সদস্য | সাথে আছে ইউরোপ এর বিভিন্ন দেশ |
ওরাই বলেছে “আমরা আসন্ন মহাদূর্যোগ এ সবাইকে বাঁচাতে পারব না, আমরা শুধু তাদেরকেই বাঁচাব যাদেরকে আমাদের দরকার ” | এমনকি SPT(south pole telescope) এর সব উপাত্ত গোপন রাখা হয়েছে.

এখন আমি পবিত্র আল কুরআন এর গাণিতিক কোড টার্ম ১৪৩৩(২০১২) এর কথা বলব সাথে ইমাম মাহদি আসার কিছু হাদীস বলব |

১৪৩৩ পবিত্র কুরআন এর ম্যাথম্যাটিকাল কোড

পবিত্র কুরআন এর ম্যাথম্যাটিকাল কোডের কথা বলতে হলে আগে আমাদের প্রাইম নাম্বার সম্পর্কে জানতে হবে | সবাই জানেন প্রাইম নাম্বার কি | তাও বলি যে সকল নাম্বার 1 এবং ঐ নাম্বার ছারা আর কোনো নাম্বার দিয়ে ভাগ যায় না তাদেরকে প্রাইম নাম্বার বলে | যেমন : ১,২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩... লক্ষ্য করুন এই ডিফারেন্স কিন্তু অনিয়মিত | আবার এক বিশেষ ধরনের প্রাইম নাম্বার আছে যাকে অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার বলা হয় | অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার সেই সকল বিশেষ প্রাইম নাম্বার যেগুলোর সংখ্যামানের যোগফলও প্রাইম নাম্বার হয় |

একটা উদাহরন দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে যেমন : ১১ একটি অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার | (১+১=২ | ২ একটি প্রাইম নাম্বার) | আল্লাহ তা আলা কুরআনেও এই সব নাম্বার ব্যবহার করেছেন | পবিত্র কুরআনের শুরুর সূরা ফাতিহাতে ৭ টি আয়াত, ২৯ টি শব্দ, ১৩৯ টি বর্ণ আছে যার সবগুলিই অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার | এমনকি এগুলোকে বাম দিক থেকে বা ডান দিক থেকে যেকোনো দিক থেকে এদের পাশাপাসি বসালে তাও অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার হয় |
|||৭২৯১৩৯ বা ১৩৯২৯৭ ||| ৭+২+৯+১+৩+৯=31 |||

পবিত্র কুরআনের অসংখ্য স্থানে অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার এর কথা বলা হয়েছে |

এখন আমি ২০১২ তে আসি :

পবিত্র কুরআনের সূরা আর-রহমান এ ৩১ বার বিভিন্ন আয়াতে “ফাবিআয়্যি আলা ইরাব্বিকু মা তুকাজ্জিবান” বলা হয়েছে | যার অর্থ “তোমরা (জ্বীন ও মানব জাতি) তোমার প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে”
১৩, ১৬, ১৮, ২১, ২৩, ২৫, ২৮, ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮, ৪০, ৪২,৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৫, ৫৭, ৫৯, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৭, ৬৯, ৭১, ৭৩, ৭৫, ৭৭

এখন এসকল আয়াতসমূহ যোগ করা হলে যা পাওয়া যায় তা হল 1433 |
১৩+ ১৬ + ১৮ + ২১ + ২৩ + ২৫ + ২৮ + ৩০ + ৩২ + ৩৪ + ৩৬ + ৩৮ + ৪০ + ৪২ + ৪৫ + ৪৭ + ৪৯ + ৫১ + ৫৩ + ৫৫ + ৫৭ +৫৯ + ৬১ + ৬৩ +৬৫ + ৬৭ + ৬৯ + ৭১ + ৭৩ + ৭৫ + ৭৭ = ১৪৩৩

এখন লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন ১৪৩৩ একটি প্রাইম নাম্বার এমনকি এর যোগফলও প্রাইম নাম্বার (১+৪+৩+৩=১১) |

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সূরা আর রহমানের শব্দ সংখ্যা ৩৫৫ | এর মাধ্যমে একে বারে আগামী বছর চিহ্নিত হচ্ছে কারণ ১৪৩৩ হল লিপ ইয়ার | আর হিজরী লিপ ইয়ার হয় ৩৫৫ দিন এ |
আরো আশ্চর্যের বিষয় হল পবিত্র কুরআনের ১৪৩৩ নাম্বার আয়াত বর্ণ গুনে গুনে এমনকি শব্দ গুনে গুনে দেখলেও প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আযাব এবং শাস্তির কথা লক্ষ্য করা যায় |
১৪৩৩ তম আয়াত হল পবিত্র কুরআনের সূরা ইউনুস এর ৬৯ নং আয়াত |

সূরা ইউনুস (১০-৬৯)“বলে দাও, যারা এরূপ করে তারা অব্যাহতি পায় না।“
আবার বর্ণ গুনে গুনে ১৪৩৩তম হয় সূরা বাকারাঃ(২:৮৬)
“এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না”।
আবার শব্দ গুনে গুনে ১৪৩৩ তম হয় সূরা বাকারাঃ(২:২৪)

“আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে অবিশ্বাসীদের জন্য” |
এখন গোলাকার এই পৃথিবীকে ৩৬০˚ দ্রাঘিমাংশ (উল্লম্ব অর্ধবৃত্ত) এবং ১৮০˚ অক্ষাংশে (অনুভূমিক পূর্ণবৃত্ত) ভাগ করা যায় | আবারও সৃষ্টিকর্তা সূরা আর রহমানে ৩১ বার বর্নিত আয়াতের মাধ্যমে এর কথা বলছেন যার পরিসর ০˚ থেকে ৯০˚ এর মধ্যে |

১৩˚ ১৬˚ ১৮˚ ২১˚ ২৩˚ ২৫˚ ২৮˚ ৩০˚ ৩২˚ ৩৪˚ ৩৬˚ ৩৮˚ ৪০˚ ৪২˚ ৪৫˚ ৪৭˚ ৪৯˚ ৫১˚ ৫৩˚ ৫৫˚ ৫৭˚ ৫৯˚ ৬১˚ ৬৩˚ ৬৫˚ ৬৭˚ ৬৯˚ ৭১˚ ৭৩˚ ৭৫˚ ৭৭˚ এখন এই বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া আয়াতসমূহ দুই ধরনের অস্তিত্বশীল বস্তুর (মানুষ ও জ্বিন) কথা বলে তাই এই ল্যাটিটিউড নাম্বারগুলো যদি উত্তরাঞ্চলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয় উভয় গোলার্ধের জন্য প্রয়োগ করা হয়, (১৩ নর্থ ১৩ সাউথ এভাবে পৃথিবীর মানচিত্রে বসানো হলে) তাহলে তা পবিত্র ভূমি মক্কা, জেরুজালেম, মদীনা, ছাড়া পৃথিবীর সব ঘনবসতিপূর্ণ প্রায় ৯০০০০ এলাকাকে চিহ্ণিত করে | তবে একটা জিনিস লক্ষ রাখতে হবে তা হল কুরআনুযায়ী পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কা যা বিজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত | তাই এক্ষেত্রে আমাদের মক্কাকে কেন্দ্র ধরে হিসাব করতে হবে |

হাদীসে ২০১২ এবং ঈমাম মাহদি সম্পর্কে আসি :

এ বিষয়ে অনেকেই একমত যে ইমাম মাহদির জম্ম হয়ে গিয়েছে | হাদীসে ঈমাম মাহদি আসার আলামত হিসেবে পৃথিবীর চরম বিপর্যয়, দুর্ভোগ এবং মহাদুর্যোগের কথার উল্লেখ আছে |
সব হাদীস না বলে আমি কয়েকটা হাদীস বলব |

“পৃথিবী ততক্ষন পর্যন্ত এর পরিঃশেষ হবে না যতক্ষন পর্যন্ত না আমার পরিবার (বংশ) থেকে একজনের আবির্ভাব হবে এবং সারা পৃথিবীতে ন্যায়ের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে ” |
ইমাম মাহদির আগমনের আরেকটি লক্ষন হলো দুইশিংযুক্ত একটি তারার (আপনি চাইলে একে প্লানেট এক্স বলতে পারেন) আগমন যার লম্বা লেজ থাকবে এবং সারা আকাশকে আলোকিত করবে এর কারণে উপকূলবর্তী স্থানসমূহ ডুবে যাবে |
ঘনঘন ভূমিকম্প হবে |
মহানবী (সঃ) আরো বলেন,
“তোমরা ততক্ষন পর্যন্ত ইমাম মাহদিকে দেখতে পাবে না যতক্ষন পর্যন্ত না ১৫ রমজান শুক্রবার পৃথিবীর পূর্ব, পশ্চিম এবং অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলাতে তিনটি ভয়াবহ ভূমিধ্বস হবে যা কোনো চোখ এ পর্যন্ত দেখে নি” |
তারপর আয়েশা (রঃ) জিজ্ঞেস করলেন “যদিও পৃথিবীতে কিছু ভালো মানুষ থাকবে তাও কি এ ঘটবে?”
মহনবী (সঃ) বললেন, “যখন খারাপের সংখ্যাই বেশি হবে এবং পৃথিবীতে অন্যায় অবিচার বেড়ে যাবে এবং বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে |”
এই ভূমিধ্বস ঐ স্থানের সকলকে গিলে ফেলবে |

http://www.islamicfinder.org/dateConversion.php
এই সাইটে গিয়ে ১৫ রমজান ১৪৩৩ লিখে দেখুন তাহলে ইংরেজী সণে যে তারিখ পাওয়া যায় তা হল ৩ আগস্ট ২০১২ শুক্রবার | আল্লাহই ভালো জানেন কি হবে না হবে তবে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত |

ইমাম মাহদি আসার আরো লক্ষন হলো বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ দেখা দিবে এক জায়গায় বিদ্রোহ হতেই অন্য স্থানে বাতাসের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়বে | রমজান মাসে ২ টি গ্রহন হবে যদিও এই লক্ষনটি পূর্ণ হয়ে গিয়েছে হিজরী ১৪০২ সণে |ইরাক-ইরান যুদ্ধ ইমাম মাহদি আসার লক্ষন | দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে | সোমালিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশে ১.৫ কোটিরও অধিক মানুষ দুর্ভিক্ষ কবলিত |
জেরুজালেম ইহুদিদের দখলে চলে যাবে, মানুষ মিথ্যা কথাকে সুদ গ্রহনকে সকল ধরনের গানবাজনাকে হালাল বলে মনে করবে, অযোগ্য ও অসত্ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রপ্রধান হবে , দেশে দেশে বিদ্রোহ দেখা দিবে, সত্য বিলুপ্ত হবে, ধর্মপ্রচার করা কঠিন হয়ে যাবে, ধর্মের কথা বললে মানুষ খারাপ বলে মনে করবে, দিন খুব দ্রুত যাবে বলে মনে হবে এগুলি সবই হলো ইমাম মাহদি আসার লক্ষন | এছাড়া আরো অনেক লক্ষন আছে যা বর্তমান যুগের সাথে মিলে | সিরিয়া, ইয়েমেনে যা হচ্ছে তাও ইমাম মাহদির আগমনের আলামত | হাদিসে বলা হয়েছে দাজ্জাল শাসন করবে ৪০ দিন. ১ম দিন ১ বছরের মত, ২য় দিন ১ মাসের মত আর ৩য় দিন ১ সপ্তাহের মত এবং বাকী ৩৭ দিন আমাদের স্বভাবিক দিনের মত. এখন সুরা হজ্জ এর ৪৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “ তোমার প্রতিপালকের ১ দিন তোমার ১ হাজার বছরের সমান |”

১ দিন = ১০০০/১বত্সর = ১০০০ বত্সর
১ দিন = ১০০০/১২মাস = ৮৩.৩৩ বত্সর
১ দিন = ১০০০/৫২সপ্তাহ = ১৯.২৩ বত্সর

এই হিসাব অনুযায়ী দাজ্জাল (AntiChrist) তার গোপন এবং প্রতারণাপূর্ণ সংগঠন শুরু করেছে তার অনুসারী ইহুদীদের মাধ্যমে বৃটেনে প্রায় ৯০০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত. যা হল ১০০০ বছর. এইরুপে দাজ্জাল তার ১ম দিন শেষ করল. দাজ্জাল এভাবে ২য় দিনে এবং ১৯১৭ সালে অ্যামেরিকার কাছে এই সংগঠনের ক্ষমতা হস্তান্তর করল এবং সকল ধরনের কার্যক্রম চালু রাখল . ২০০১ সালের ৯/১১ পর্যন্ত যা ৮৩.৩৩ বছর. এভাবে দাজ্জাল তার ২য় দিন শেষ করল এবং তার ক্ষমতা ঈসরাইলের কাছে হস্তান্তর করল. সেই অনুযায়ী এখন চলছে দাজ্জালের ৩য় দিন যা শেষ হবে (২০০১+১৯)= ২০২০ সালে. এরপর আসবে সত্যিকার দাজ্জাল শারীরিক ভাবে যা আমাদের ৩৭ দিনের মত. আরেক হাদিসে বলা হয়েছে ইমাম মাহদি শাসন করবেন ৭ বত্সর. মহানবী (সঃ) বলেছেন, “বিশাল যুদ্ধ এবং ইস্তাম্বুল জয় এর মধ্যে ৬ বছর পূর্ণ হবে এবং দাজ্জাল এর আগমন ঘটবে সপ্তম বছরে.

অপর হাদিসে বলা হয়েছে ইমাম মাহদি শাসনের ৭ম বছরে দাজ্জালের আগমন হবে. সুতরাং ২০২০-৭=২০১৩. সেই অনুযায়ী ইমাম মাহদির আগমন ২০১৩ এ ঘটতে পারে. আল্লাহই ভালো জানেন. আর ইমাম মাহদির আগমনের পূর্বে পৃথিবীতে মারাত্নক দুর্যোগ হবে তা ২০১২. আল্লাহই ভালো জানেন.
মহানবী (সঃ) বলেছেন, “সারা পৃথিবী ধোয়া দিয়ে আচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেই দিন (ইমাম মাহদির আগমনের দিন) আসবে না ”
ডিসকোভারির অ্যাপোকিলিপ্স আর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের বেশ কয়েকটি ডকুমেন্ট রয়েছে এ সম্বন্ধে . তাদের মতে লা পামার (La Palma) এই কুমব্রেভিয়েহা অথবা আমেরিকার ইয়েলোস্টোনের অগ্নুত্পাত হলে সারা আমেরিকা নিশ্চিহ্ন হবে এবং এর ফলে সারা পৃথিবী ধোঁয়ায় ঢেকে যাবে. এমনকি মাসখানেক সূর্যও চোখে পড়বে না.
পাঠক চিন্তা করবেন না আরো কয়েকটা কথা বলে ইনশাল্লাহ শেষ করে ফেলব | ইসা (আঃ) তথা যিশু (Jesus) এর পুনঃআগমন এতে আমাদের প্রত্যেকেরই বিশ্বাস করতে হয় |

শুধু আমি একটাই হাদীস বলব সেটা হলো – ইসা (আঃ) (Jesus Christ) দাজ্জালকে (AntiChrist) ২টি তীর দিয়ে মারবেন গেইট অব লুত এ যা ইসরাইল এ অবস্থিত | আমাদের সমাজে এখন পারমানবিক বোমা থেকে শুরু করে কত ধরনের রাইফেল আছে তা সত্ত্বেও এই শক্তিশালি দাজ্জালকে (এন্টিখ্রিস্ট) কেন ২টি তীর দিয়েই মারা হবে ? এ থেকে বুঝা যায় আমাদের এই চরম উন্নত সভ্যতা আর থাকবে না, মানবের এই উন্নত সভ্যতার পতন ঘটবে এবং কুব কম সংখ্যকই টিকে থাকবে (আল্লাহই ভালো জানেন) |

এখনই সময় জীবনকে সুন্দর করে তোলার নতুবা এমন এক সময় আসবে যখন চাইলেও আর পারবেন না |

আমি কয়েকটা জিনিস স্পষ্ট করতে চাই

১. আমি কিন্তু ১০০ ভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি না আগামী বছরই হবে, সর্বশক্তিমান আল্লাহই ভালো জানেন | নিশ্চই তিনি মহাজ্ঞানী ও সর্বজ্ঞ |

২. আমরা কেউ কখনও এ কখনও এ কথা বলতে পারি না যে কেয়ামত অনেক দুরে কারন তা কুরআন বিরোধী | কেয়ামত সম্পর্কিত জ্ঞান আল্লাহর ছাড়া আর কারো নেই | কেয়ামত অনেক দুরে এই কথা বলা উচিত না কারন আল্লাহই কুরআনে উল্লেখ করেছেন যে, “কেয়ামত সন্নিকটে” (সূরা ক্বামার)
আল্লাহর অযাব সম্পর্কে এভাবেই সূরা মুলকের ১৬ থেকে ১৮ আয়াতে বলা হয়েছে-
তোমরা কি নিশ্চিত যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন না, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে না।
তোমরা কি নিশ্চিন্ত যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন না, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি।

৩. আর আবারও বলছি কেউ এটা কখনই ১০০% বিশ্বাস করবেন না. বিশ্বাস করবেন না যে এটা আগামি বছরই হবে. হ্যা তবে এটা হবেই ২০১২ তে না হলেও এসব ঘটার সময় সন্নিকটে. আর বারবার বলছি পৃথিবী ধ্বংস হবে না বড় দুর্যোগ হতে পারে (আল্লাহই ভালো জানেন) .

৪. আর কখনই বলবেন না কেয়ামত অনেক দুরে কারন মহানবী (সাঃ) বলেছেন, “আমার জন্ম আর কেয়ামত হাতের মধ্যমা আর তর্জনি এই দুই আঙ্গুলের ব্যবধানের সমান | ” তাই আমাদের আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত নতুবা পরে নিজেই পস্তাবেন |

৫. মহানবী (সঃ) বলেছেন – “ শেষ যুগে আমার কিছু উম্মত মদ, ব্যভিচার, ঘুষ, সুদ, মিথ্যা কথা বলা এগুলিকে হালাল বলে মনে করবে ” | এখনকার যুগে এর প্রত্যেকটি হচ্ছে |
আর আমরা হলাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত মানে আমরা শেষ যুগের মানুষ আমরা এটা কিভাবে ভুলে যাই ???

কেয়ামতের আলামত হল .মানুষ ঘরে বসেই দূরের খবর জানতে পারবে ।উচু ইমারত নির্মান করা হবে । মেয়েরা বেপর্দার সাথে ঘুরে বেড়াবে । সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হবে । জিনা ব্যাভিচার বেড়ে যাবে । বর্তমানে এগুলো ব্যাপক হারে ঘটে যাচ্ছে । সুতরাং কেয়ামত সন্নিকটে । তাই আসুন আগে থেকেই সতর্ক হই । আল্লাহ ও রাসুলের (সাঃ) আনুগত্য করি