তেজপাতা সুগন্ধি মসলা। কাঁচাপাতার রং
সবুজ আর শুকনো পাতার রং বাদামি। এটি শুধু মসলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এর অনেক ঔষধি গুণও আছে।
উপকারিতাঃ
* পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধকরে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেত্বকের
অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।
* ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
* প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গেতেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।
* চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।
* তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।
* যাদের সময় কম তারা তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়েও তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
* সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মেখে গোসল করুন। এতে ময়লা পরিষ্কার হবে।
* তেজপাতা চূর্ণ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যাবে।
নিজে উপকৃত হলে শেয়ার করে প্রোফাইলের বন্ধুদেরকেও জানিয়ে দিতে পারেন।
উপকারিতাঃ
* পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধকরে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেত্বকের
অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।
* ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
* প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গেতেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।
* চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।
* তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।
* যাদের সময় কম তারা তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়েও তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
* সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মেখে গোসল করুন। এতে ময়লা পরিষ্কার হবে।
* তেজপাতা চূর্ণ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যাবে।
নিজে উপকৃত হলে শেয়ার করে প্রোফাইলের বন্ধুদেরকেও জানিয়ে দিতে পারেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন