শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

যেভাবে গরম থেকে রক্ষা পেতে পারেন:

১. যতটা সম্ভব সূর্যের প্রত্যক্ষ তাপ এড়িয়ে চলুন।
২. হালকা পাতলা সুতি ও হালকা রংয়ের পোশাক পরিধান করুন।
৩. সাদা রংয়ের পোশাক পরিধান করুন।
৪. কালো রংয়ের পোশাক না পড়াই ভাল। কারণ কালো রংয়ের পোশাক তাপ শোষন করে।
৫. প্রচুর পরিমানে ঠান্ডা পানি খান।
৬. অন্যান্য পানির চেয়ে সাদা ঠান্ডা পানিই ভাল।
৭. ওআরএস স্যালাইন খাবেন।
৮. ছাতা নিন বা অন্য ব্যবস্থা
৯. গরম তেল মসলা ও ঘিয়ে ভাজা খাবার কম খাবেন।
১০. কাজের ফাঁকে ফাকে একটু জিরিয়ে নিন। এতে করে বিশেষ উপকার পাবেন।

আমাদের বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে প্রচন্ড গরম পড়ে। আমাদের এ অঞ্চলে যখন পরপর বেশ কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড গরম পড়ে। রাতের তাপমাত্রা ও তেমন একটা কমে না। তখন একে বলা হয় হিট ওয়েভ বা তাপ প্রবাহ। ডাক্তাররা বলেন গরম জনিত অসুস্থতা এড়াতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ঠান্ডা পানি খাওয়া। বেশি ঘাম হলে এবং পরিমিত পরিমান পানি না খেলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীরের পানি দ্রুত কমে যায়। দেহ কোষ কাজ করতে পারে না। এই অবস্থায় আমাদের কাজ ও চিন্তা করার ক্ষমতা কমে যায়। দুর্বলতা এমন পর্যায়ে পৌছায়,যে হাটা চলা করা ও মুসকিল হয়ে পড়ে। এর চিকিৎসা হল ঠান্ডা জায়গায় থাকুন। ঠান্ডা পানি খান। প্রচুর স্যালাইন খান। শরীর বেশি ব্যথা হলে ক্লোফেনাক বা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খান। আরও একটা রোগ আছে , যাকে বলা হয় হিটস্ট্রোক। এই হিটস্ট্রোকে রোগীর দেহের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে উঠে যায়। তখন দেহ থেকে আর ঘাম বের হয় না। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। ডাক্তাররা বলেন-দেহের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ছাড়িয়ে গেলে, দেহের টিস্যু বা কলা কাজ করার ক্ষমতা হারায়। এতে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি ও হতে পারে। ডাক্তারদের কাছে হিটস্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে যাবার আগেই। তাকে ঠান্ডা জাগায় নিয়ে যান। গায়ের পোশাক খুলে দিন। গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন। কাধ ও বাহুর নিচে বরফ ঘষুন। 

আরো দেখুন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন